রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

The Daily Adin Logo
The Daily Adin Logo

টানা বৃষ্টিতে প্লাবিত নিম্নাঞ্চল, হাঁটু পানিতে ধান কাটছেন কৃষক

প্রকাশিত: ১৭ মে ২০২৬, ০৮:২৫ পিএম

আপডেট: ১৭ মে ২০২৬, ০৮:২৫ পিএম

টানা বৃষ্টিতে প্লাবিত নিম্নাঞ্চল, হাঁটু পানিতে ধান কাটছেন কৃষক

রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে বিস্তীর্ণ এলাকার পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। ধান কাটতে গিয়ে বাড়তি ভোগান্তি ও খরচের মুখে পড়েছেন কৃষকেরা। কোথাও কোথাও হাঁটুসমান পানিতে নেমে ধান কাটতে দেখা গেছে শ্রমিকদের।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে গংগাচড়ায় ১১ হাজার ১৮৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪ হাজার ৪৭৫ হেক্টর জমির ধান ইতিমধ্যে কাটা হয়েছে, যা মোট আবাদি জমির প্রায় ৪০ শতাংশ। তবে উপজেলার প্রায় ১ হাজার ২০০ হেক্টর জমি নিম্নাঞ্চলে হওয়ায় সেখানে জলাবদ্ধতার প্রভাব বেশি পড়েছে।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক দিনের লাগাতার বৃষ্টিতে নিচু জমিতে পানি জমে আছে। ফলে ধান কাটা ব্যাহত হচ্ছে। পানিতে ডুবে থাকা ধান কাটতে সময় বেশি লাগায় শ্রমিকদের মজুরিও বেড়েছে। শ্রমিকসংকটের কারণেও অতিরিক্ত খরচ গুনতে হচ্ছে কৃষকদের।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে বজ্রমেঘ সৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। এর প্রভাবে ১৩ মে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এতে নিম্নাঞ্চলে সাময়িক জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে।

উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের কৃষিশ্রমিক লুৎফার রহমান বলেন, “পানিতে তলিয়ে থাকা ধান কাটতে অনেক বেশি সময় লাগে। জমিতে কাদা আর পানি থাকায় কাজ করাও খুব কষ্টকর। এ কারণে শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানো হয়েছে।”

বড়বিল ইউনিয়নের কৃষক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “আগের মতো সহজে শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। আবার পানিতে নেমে ধান কাটতে শ্রমিকেরাও বেশি টাকা দাবি করছেন। বাধ্য হয়ে বাড়তি খরচে ধান কাটাতে হচ্ছে।”

সদর ইউনিয়নের আরেক কৃষক শাহিনুর রহমান জানান, আগে প্রতি দোন (প্রায় ২৪ শতাংশ জমি) ধান কাটতে তিন থেকে চার হাজার টাকা খরচ হতো। এখন জলাবদ্ধতার কারণে সেই খরচ বেড়ে ছয় থেকে সাত হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুবেল হুসেন বলেন, “টানা বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চলের কিছু জমিতে পানি জমে আছে। তবে দ্রুত পানি নেমে গেলে ক্ষতির পরিমাণ কম হবে বলে আশা করছি। কৃষকদের দ্রুত ধান কেটে নিরাপদ স্থানে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।”

শ্রা/গ/অই

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. সাইদুল ইসলাম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক: খন্দকার মোজাম্মেল হক

শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস ২৮/বি, টয়েনলি সার্কুলার রোড, মতিঝিল-১০০০, ঢাকা থেকে মুদ্রিত

যোগাযোগ করুন

টাওয়ার-এ (২য় তলা), হাউস-১৩, রোড-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

০২-২২৬৬০৩৩৫২

০১৮৯৭-৬৬৪৬৫৬

ইমেইল : dailyadinbd@gmail.com

আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

facebookyoutubetiktok

© স্বত্ব ২০২৬, দৈনিক এদিন

Design & Developed byBongosoft Ltd.