চট্টগ্রাম-কক্সবাজার চন্দনাইশ উপজেলার অন্যতম বাণিজ্যিক শহর দোহাজারী পাঠানিপুল এলাকায় মহাসড়কের পাশে পৌরসভার বিষাক্ত ময়লার স্তুপে পরিণত হয়েছে। ব্যস্ততম সড়কের পাশে ময়লার স্তুপটি গড়ে উঠায় জনদুর্ভোগে পরিণত হয়েছে এলাকাটি।
সরেজমিনে দেখা যায়, দোহাজারী পৌরসভার পাঠানিপুল সংলগ্ন এলাকায় বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ময়লা ফেলার কারণে চলাচলের ব্যাপক সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। এতে নানান ক্ষোভ প্রকাশ করেন পথচারীরা। সরেজমিনে গিয়ে এমন জনদুর্ভোগের চিত্রই দেখা গেলো।
অল্প বাতাসে ও বৃষ্টিতে দুর্গন্ধযুক্ত আবর্জনা স্তুপ ছড়িয়ে পড়ে সড়কে। এতে এলাকায় যেমন মশার উপদ্রপ বাড়ছে তেমনি দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। প্রতিদিন এখানে ফেলা হচ্ছে বিভিন্ন দোকানপাটের বর্জ্য, বোতল, নারিকেলের খোসা, কর্কশিট, পলিথিন, বস্তা, খাবারের উচ্ছিষ্ট ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বর্জ্যসহ নানা রকমের আবর্জনা। এর ফলে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র দুর্গন্ধে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুকি নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয়রা।
কলেজে পড়ুয়া ছাত্র নাঈম উদ্দিন জানান,আমি প্রতিদিনিই এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করি, প্রতিনিয়ত যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে সড়কে চলাচল করতে নানা সমস্যা হচ্ছে। দুর্গন্ধে রাস্তায় হাঁটা যায় না। গাড়ি দিয়ে চলাচল করতে হলেও নাক-মুখ চেপে রাখতে হয়।
তিনি আরও বলেন, এইরকম একটি ব্যস্ততম সড়কে পাশে ময়লা ফেলা উচিৎ না। একটি নিরাপদ, সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলা বন্ধ করতে হবে এবং সকলকে সচেতন করতে হবে। সড়কের পাশে যেখানে সেখানে ময়লা না ফেলানোর জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে বিভিন্ন রকম জটিল রোগে আক্রান্ত হবে।
পথচারীরা জানান, নিত্যদিন এই দিয়ে হাজার হাজার চলাচল করেন। স্কুল, কলেজ হাসপাতালের জরুরি রোগী সহ জনসাধারণের কাছে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। বিষাক্ত ধুঁয়া আর পোঁড়া গন্ধ আশপাশে ছড়িয়ে পড়ার কারনে বিভিন্ন ভাবে রোগাক্রান্ত হচ্ছে শিশুসহ বয়ষ্ক মানুষ।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রহমান জানান, ইজারাদারদের বলেছি খাসজমি নির্ধারন করে জানাতে, যাতে বর্জ্য ফেলার স্থান নির্ধারন করা যায়৷


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









