আঁকিবুঁকি, পুতুলনাট্য, মাটির কারুকাজ ও গানের আবহে শেষ হলো দুদিনব্যাপী ‘মুস্তাফা মনোয়ার শিশু নাট্যোৎসব’। থিয়েটার দল ‘বটতলা’র ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। রবিবার (৩০ আগস্ট) রাতে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে পর্দা নামে এ উৎসবের।
শিশুদের দেশীয় সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চায় উদ্বুদ্ধ করতেই দ্বিতীয়বারের মতো এ আয়োজন করে বটতলা। বরেণ্য চারুশিল্পী ও পাপেট চর্চার পথিকৃৎ মুস্তাফা মনোয়ারের ১ সেপ্টেম্বরের জন্মবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে তার অবদান স্মরণে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।
উৎসবজুড়ে ছিল শিশুদের নানা সৃজনশীল কর্মকাণ্ড। প্রথম দিনে আয়োজন করা হয় কার্টুন আঁকার কর্মশালা ও মাটি নিয়ে কাজ করার ‘মাটির পাঠশালা’। পাশাপাশি ছিল বায়োস্কোপ, পুতুল বানানো এবং শিশুদের নাটক ‘ডাকাত হালুম চিচপটাং’ ও ‘আনারসের ঢাকা সফর’।
এ ছাড়া বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের নিয়ে সামাজিক সংগঠন ‘টুগেদার উই ক্যান’ আয়োজন করে অন্তর্ভুক্তিমূলক সংগীত পরিবেশনা ‘ধরণীর গান’। উৎসব প্রাঙ্গণে ‘গপ্পোসপ্পো’র নতুন দুটি শিশুতোষ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
সমাপনী দিনে গল্পের আসরের পর পরীক্ষণ থিয়েটার হলে প্রদর্শিত হয় বিশেষ নাট্যোৎসর্গ ‘একের ভিতর তিন’। এতে পরপর মঞ্চস্থ হয় ‘বন্যথেরিয়াম’, ‘ডাকাত হালুম চিচপটাং’ এবং পাপেট শো ‘সবুজ দেশের বিপদ’। শিল্প-সংস্কৃতির মধ্য দিয়ে শিশুদের আনন্দ বিলিয়ে রঙিন সমাপনী ঘটে এ আয়োজনের।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে নানা রোগে ভুগে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৯ জুন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









