মুক্তির প্রায় দেড় মাস পরও দর্শকদের আগ্রহ ধরে রেখেছে টম হল্যান্ড অভিনীত ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে ছবিটি এবার ছাড়িয়ে গেছে ‘স্টার ওয়ার্স: দ্য ফোর্স অ্যাওয়েকেন্স’কে। এর মধ্য দিয়ে ছবিটি উত্তর আমেরিকার ইতিহাসে সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমার নতুন রেকর্ড গড়েছে।
মুক্তির ৪৭ দিন পর ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ উত্তর আমেরিকায় আনুমানিক ৯৩ কোটি ৬৭ লাখ ৭৩ হাজার মার্কিন ডলার আয় করেছে। এর আগে এই অঞ্চলে সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড ছিল ২০১৫ সালের ‘স্টার ওয়ার্স: দ্য ফোর্স অ্যাওয়েকেন্স’র দখলে। ছবিটির মোট আয় ছিল প্রায় ৯৩ কোটি ৬৬ লাখ ডলার।
উত্তর আমেরিকার শীর্ষে স্পাইডার-ম্যান
জুলাইয়ের শেষ দিকে মুক্তির পর থেকেই ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ বক্স অফিসে ভালো ব্যবসা করছে। দীর্ঘদিন ধরে থাকা ‘দ্য ফোর্স অ্যাওয়েকেন্স’র রেকর্ড ভেঙে এবার শীর্ষস্থান দখল করেছে ছবিটি।
উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে সর্বোচ্চ আয় করা পাঁচটি ছবির তালিকায় এখন রয়েছে—
স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে — প্রায় ৯৩ কোটি ৬৭ লাখ ডলার
স্টার ওয়ার্স: দ্য ফোর্স অ্যাওয়েকেন্স — প্রায় ৯৩ কোটি ৬৬ লাখ ডলার
অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম — প্রায় ৮৫ কোটি ৮৩ লাখ ডলার
স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়েই হোম — প্রায় ৮১ কোটি ৪৮ লাখ ডলার
অ্যাভাটার — প্রায় ৭৮ কোটি ৫২ লাখ ডলার
এটি টম হল্যান্ডের আগের স্পাইডার-ম্যান সিনেমা ‘স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়েই হোম’-এর চেয়েও বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্পাইডার-ম্যানকে অভিনন্দন জানাল ‘স্টার ওয়ার্স’
নতুন রেকর্ডের পর ‘স্টার ওয়ার্স’র অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট থেকে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’র দলকে অভিনন্দন জানানো হয়। লুকাসফিল্মের পক্ষ থেকে প্রকাশিত বার্তায় ছবিটির পরিচালক ডেস্টিন ড্যানিয়েল ক্রেটন, টম হল্যান্ড এবং সনি পিকচার্স ও মার্ভেল স্টুডিওসের পুরো দলকে অভিনন্দন জানানো হয়।
‘স্টার ওয়ার্স’র জনপ্রিয় সংলাপ “চমৎকার। অত্যন্ত চমৎকার।” ব্যবহার করে দেওয়া ওই বার্তায় নতুন রেকর্ডের জন্য ‘স্পাইডার-ম্যান’ দলকে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
সামনে এক বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য
উত্তর আমেরিকায় ছবিটির পরবর্তী বড় লক্ষ্য হলো ১০০ কোটি ডলার আয় করা। তবে মুক্তির ৪৭ দিন পেরিয়ে যাওয়ায় আগামী কয়েক সপ্তাহে ছবিটির ব্যবসা কেমন হয়, তার ওপর এই লক্ষ্য পূরণ অনেকটাই নির্ভর করবে। ভবিষ্যতে ছবিটি আবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেলেও আয় বাড়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
উত্তর আমেরিকার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও ছবিটি ভালো ব্যবসা করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী ছবিটির আয় প্রায় ২৪৫ কোটি ডলার।
মুক্তির মাত্র ছয় দিনের মধ্যে ছবিটি বিশ্বব্যাপী ১০০ কোটি ডলারের আয় অতিক্রম করে। তিন সপ্তাহান্তের মধ্যেই এর আয় ২০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে ছবিটি সবচেয়ে দ্রুত ২০০ কোটি ডলার আয় করা সিনেমাগুলোর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। এর আগে ২০১৯ সালের ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ আরও দ্রুত এই মাইলফলক স্পর্শ করেছিল।
‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’র সর্বশেষ এই সাফল্য মার্ভেল ও সনি পিকচার্সের সুপারহিরো সিনেমার জনপ্রিয়তাকে আরও একবার সামনে নিয়ে এসেছে। এদিকে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ সেপ্টেম্বরে আবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। আর ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ মুক্তির নির্ধারিত সময় ডিসেম্বর।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









