জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত জনপ্রিয় অভিনেতা শামস সুমন মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।
হাসপাতাল থেকে অভিনেতার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু।
অপু জানান, বিকেল পাঁচটার পর সুমন হঠাৎ অসুস্থতাবোধ করেন। বিষয়টি তিনি আরেক অভিনেতা শাহাদৎ হোসেনকে জানান। এরপর দ্রুত তাকে ঢাকার গ্রিন রোডে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই মারা যান শামস সুমন।
টিভি নাটকের জনপ্রিয় মুখ শামস সুমন সর্বশেষ ‘রেডিও ভূমি’তে স্টেশন চিফ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মঞ্চ থেকে শুরু করে ছোট পর্দা ও বড় পর্দায় ছিল তার সমান উপস্থিতি। তবে সম্প্রতিকালে টেলিভিশন নাটকে তাকে খুব একটা দেখা যায়নি।
শামস সুমনের জন্ম রাজশাহীতে। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবৃত্তি সংগঠন স্বননের সদস্য ছিলেন তিনি।
তার অভিনীত চলীচ্চত্র হলো- 'মন জানেনা মনের ঠিকানা' (২০১৬), 'কক্সবাজারে কাকাতুয়া' (২০১৬), 'চোখের দেখা' (২০১৬), 'প্রিয়া তুমি সুখী হও' (২০১৪), 'আয়না কাহিনী' (২০১৩), 'বিদ্রোহী পদ্মা' (২০০৬), 'জয়যাত্রা' (২০০৪), 'নমুনা' (২০০৮), 'হ্যালো অমিত' (২০১২) ও 'জয়যাত্রা' (২০০৪)।
২০০৮ সালে 'স্বপ্নপুরণ' চলচ্চিত্রে পার্শ্বচরিত্রে সেরা অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান শামস সুমন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









