শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাষ্টমী তিথিতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম পবিত্র আচার কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানী ঢাকার গোপীবাগের রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠসহ দেশের বিভিন্ন মন্দির ও মিশনে এ পূজার আয়োজন করা হয়।
কুমারী পূজায় অল্পবয়সী কুমারী কন্যাকে দেবী দুর্গার জীবন্ত প্রতীক এবং মাতৃশক্তির প্রকাশ হিসেবে পূজা করা হয়। তন্ত্রশাস্ত্রের বিধান অনুসারে, সাধারণত ১৬ বছরের কম বয়সী এবং ঋতুমতী হয়নি—এমন কন্যাকে এ পূজার জন্য নির্বাচন করা হয়।
পূজার রীতি অনুযায়ী, কুমারী কন্যাকে সুসজ্জিত আসনে বসিয়ে দেবীজ্ঞানে পূজা করা হয়। এ সময় মন্ত্রপাঠ, ঢাক, শঙ্খ ও ঘণ্টাধ্বনির মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ভক্তরা।
কুমারী পূজার মূল দর্শন হলো নারীশক্তির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং নারীর মধ্যে দেবীশক্তির প্রকাশ উপলব্ধি করা। এ পূজার মধ্য দিয়ে নারীকে সম্মান ও মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠার বার্তাও তুলে ধরা হয়।
প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, কুমারী কন্যার বয়সভেদে বিভিন্ন নাম রয়েছে। তন্ত্রশাস্ত্রের বিধানে এক থেকে ১৬ বছর বয়সী কন্যাদের জন্য আলাদা আলাদা নামের উল্লেখ পাওয়া যায়।
রাজধানীর পাশাপাশি দিনাজপুর, চট্টগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঐতিহ্যবাহী এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









