জাতিসংঘের এক বৈঠকে কূটনৈতিক শিষ্টাচার ভেঙে তুমুল তর্কে জড়িয়ে পড়েছেন ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন এবং জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি প্রমিলা প্যাটেন।
শুক্রবার (১৯ জুন) নিউইয়র্কে আয়োজিত এক শুনানিতে শিশুদের ওপর সশস্ত্র সংঘাত এবং যৌন সহিংসতা বিষয়ক আলোচনার সময় এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘটনাটি কূটনৈতিক শিষ্টাচারের বড় ধরনের লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন বলা হয়েছে, সংঘাতপূর্ণ এলাকায় যৌন সহিংসতা নির্মূল বিষয়ক আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষ্যে নিউ ইয়র্কে আয়োজিত এক বৈঠকে প্যাটেনের পদত্যাগ দাবি করেন ড্যানন। জাতিসংঘের এ কর্মকর্তা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ এনে কালোতালিকাভুক্ত করেছিলেন। ড্যানন তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ করেছেন।
জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ইসরায়েলকে লক্ষ্যবস্তু করার ব্যাপারে জাতিসংঘ মহাসচিবের অবস্থানের কাছে প্যাটেন নতি স্বীকার করেছেন।
রয়টার্স জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ জাতিসংঘের আরেক বিশেষ দূত ভ্যানেসা ফ্রেজার হস্তক্ষেপ করেন। তিনি পয়েন্ট অর্ডার তুলে ফ্লোর নেন। এ সময় তিনি ড্যাননকে ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে বিরতে থাকতে অনুরোধ জানান।
জবাবে ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ফ্রেজারকে চুপ থাকতে অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, আমরা একটি সদস্য রাষ্ট্র আর আপনি জাতিসংঘের একজন কর্মচারী। তাই আপনি শান্ত হয়ে যান।
ফ্রেজার জাতিসংঘে মাল্টার সাবেক রাষ্ট্রদূত ছিলেন। তিনি চলতি সপ্তাহে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। এতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনি শিশুদের বিরুদ্ধে অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ‘আশঙ্কাজনকভাবে’ বাড়ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠীগুলোকে কালো তালিকাভুক্ত করা হতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









