ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো থেকে বিজ্ঞানীরা গণইস্তফা দিয়েছেন! একযোগে ইসরো ছেড়েছেন প্রায় ১০০ জন বিজ্ঞানী। দেশটির বেসরকারি মহাকাশভিত্তিক স্টার্টআপগুলোতে যোগ দেওয়ার জন্য এই ইস্তফার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২৩ সালে ভারত সরকার দেশে বেসরকারি বিনিয়োগে আরো মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য মহাকাশ নীতিতে বড়সড় পরিবর্তন করে। এরপরেই ভারতে মহাকাশ গবেষণা সংক্রান্ত স্পেস স্টার্ট আপের সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে। এখন দেশটিতে চার শতাধিক স্পেস স্টার্ট আপ রয়েছে এবং পিক্সেল, স্কাইরুট অ্যারোস্পেসের মতো সংস্থাগুলিতে বিপুল বিনিয়োগ হওয়ায় অনেক বিজ্ঞানী সেখানে যোগ দিচ্ছেন।
বিজ্ঞানীরা এমন সময় বেসরকারি সংস্থায় যাওয়ার জন্য ইস্তফা দেওয়া শুরু করেছে যখন অতিসম্প্রতি দুটি রকেট ‘পিএসএলভি’ পরপর দুটি মিশনে ব্যর্থতার সম্মুখীন হয়েছে। এছাড়া ইসরোর হাতে চলমান একাধিক প্রজেক্ট রয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে—মানুষকে মহাকাশে পাঠানোর মিশন ‘গগনযান’, চাঁদের মাটি ফিরিয়ে আনার প্রকল্প ‘চন্দ্রযান-৪’, ভারতের নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন ‘ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন’ (বিএএস) এবং মঙ্গল অভিযান ‘মঙ্গলযান-২’।ইসরোতে বিজ্ঞানী সংকটের জেরে এই প্রজেক্টগুলো বেশ অনেকটাই পিছিয়ে যেতে পারে।
১৪ জুলাই এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছে ইসরো। এটি পাঠানো হয়েছে ইসরো অধীনস্থ ইউ আর রাও স্যাটেলাইট সেন্টার (ইউআরএসসি) এবং বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (ভিএসএসসি)-সহ অন্য সংস্থায়।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো বিজ্ঞানী বা প্রযুক্তিবিদ ইস্তফা বা স্বেচ্ছাবসরের আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের পরিচালকের সুস্পষ্ট সুপারিশসহ তা চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ভারতের মহাকাশ বিভাগে পাঠাতে হবে। এর আগে ২০২০ সালের নির্দেশনা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের পরিচালকরাই এসব আবেদনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখতেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









