বুলগেরিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রানঅফ বা দ্বিতীয় দফার ভোটে জয়ী হয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ইলিয়ানা ইয়োতোভা। এর মধ্য দিয়ে দেশটির ইতিহাসে প্রথম নির্বাচিত নারী রাষ্ট্রপ্রধান হলেন তিনি। নির্বাচনে ৫৭ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পেয়েছেন ৬২ বছর বয়সী ইয়োতোভা।
সোমবার (২ নভেম্বর) ভোট গণনা শেষে দেশটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন এ ফল ঘোষণা করে।
ইয়োতোভার প্রতিদ্বন্দ্বী উদারপন্থী ও পশ্চিমাপন্থী বিরোধী প্রার্থী আন্দ্রে গিউরভ পেয়েছেন ৩৯ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট। পরাজয় মেনে নিয়ে গিউরভ বলেন, ‘বুলগেরিয়ার নাগরিকেরা এভাবেই ভোট দিয়েছেন।’ ফলাফল মেনে নেওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিজয়ের পর ইয়োতোভা বলেন, রাজনৈতিক বিভেদ দূর করে সংলাপের মাধ্যমে জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় কাজ করবেন তিনি। নাগরিকদের জন্য কার্যকর প্রতিষ্ঠান এবং শক্তিশালী ইউরোপের মধ্যে একটি শক্তিশালী বুলগেরিয়া গড়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েন ইয়োতোভাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ও জ্বালানির স্বাধীনতার মতো বিষয়ে তাঁর সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
ইউক্রেন যুদ্ধের বিষয়ে ইয়োতোভা কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে। তবে ইউক্রেনকে বুলগেরিয়ার সামরিক সহায়তা বাড়ানোর বিরোধিতা করে আসছেন তিনি। তার মতে, এ সংঘাতের সামরিক সমাধান নেই।

১৯৯০-এর দশকে টেলিভিশন সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন ইয়োতোভা। পরে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে বুলগেরিয়ার জাতীয় সংসদ ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৬ ও ২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট রুমেন রাদেভের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।
২২ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে ইয়োতোভার। বুলগেরিয়ায় প্রেসিডেন্টের মেয়াদ পাঁচ বছর। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









