মধ্যপ্রাচ্যের হামলার কারণে সৃষ্ট অস্থিরতা জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের আঘাত হেনেছে। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) অন্যতম শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশ কাতার উৎপাদন স্থগিত ঘোষণা করায় ইউরোপের বাজারে গ্যাসের দাম একলাফে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
সোমবার (২ মার্চ) আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মানদণ্ডমূল্য হিসেবে বিবেচিত ডাচ ও ব্রিটিশ পাইকারি গ্যাসের দামে এই ঘটনা ঘটেছে।
উড ম্যাকেনজির গ্যাস ও এলএনজি গবেষণা বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাসিমো দি ওদোয়ার্দো বলেন, ‘এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে প্রাপ্য কার্গোর জন্য এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে প্রতিযোগিতা আবারও জোরদার হবে।’
আইসিইর তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপের মানদণ্ডমূল্য হিসেবে বিবেচিত টিটিএফ হাবে ডাচ ফ্রন্ট-মাস চুক্তির দাম জিএমটি ১২৫৫ পর্যন্ত প্রতি মেগাওয়াট ঘণ্টা (এমডব্লিউএইচ) ১৪.৫৬ ইউরো বেড়ে ৪৬.৫২ ইউরোতে পৌঁছায়, যা প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ তাপ একক (এমএমবিটিইউ) প্রায় ১৫.৯২ ডলারের সমান।
এই দিকে দিনের শুরুর দিকে দাম প্রায় ২৫ শতাংশ বেশি ছিল, তবে কাতার এনার্জির উৎপাদন স্থগিতের পর বৃদ্ধি আরো সম্প্রসারিত হয়।
প্ল্যাটসের তথ্য অনুযায়ী, এশীয় এলএনজির মানদণ্ডমূল্য হিসেবে বহুল ব্যবহৃত এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল এনার্জি জাপান-কোরিয়া মার্কার (জেকেএম) সোমবার সকালে প্রায় ৩৯ শতাংশ বেড়ে প্রতি এমএমবিটিইউ ১৫.০৬৮ ডলারে দাঁড়ায়।
আইএনজির পণ্য কৌশল বিভাগের প্রধান ওয়ারেন প্যাটারসন বলেন, ‘যদি এলএনজি/গ্যাস বাজার কাতারি এলএনজি সরবরাহে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির সম্ভাবনা মূল্যায়নে অন্তর্ভুক্ত করতে শুরু করে, তবে টিটিএফ সম্ভাব্যভাবে ৮০-১০০ ইউরো/এমডব্লিউএইচ (২৮-৩৫ ডলার/এমএমবিটিইউ) পর্যন্ত লাফিয়ে উঠতে পারে।’
আইসিইর তথ্য অনুযায়ী, ব্রিটিশ এপ্রিল চুক্তির দাম ৪০.৮৩ পেন্স বেড়ে ১১৯.৪০ পেন্স প্রতি থার্মে পৌঁছায়।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









