মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে একের পর এক শীর্ষ নেতৃত্ব হারাচ্ছে ইরান। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি এবং আধা-সামরিক বাহিনী বাসিজের প্রধান গোলামরেজা সোলেইমানিসহ নিহত নৌ-সেনাদের জানাজা তেহরানে সম্পন্ন হয়েছে। জানাজায় সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
বুধবার (১৮ মার্চ) তেহরানে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয় বলে নিশ্চিত করেছে ইরানি সংবাদ সংস্থা তাসনিম।
গতকাল মঙ্গলবার ইসরাইল দাবি করে, গত সোমবার রাতে তেহরানে ইসরাইলের বিমান হামলায় আলী লারিজানি তার পুত্রসহ নিহত হয়েছেন। একই দিন তেহরানে দেশটির পৃথক বিমান হামলায় বাসিজ প্রধান জেনারেল গোলামরেজা সোলেইমানিও নিহত হন। পরে ইরান তাদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে।
গত ৪ মার্চ শ্রীলঙ্কার উপকূলে মার্কিন নৌবাহিনীর টর্পেডো হামলায় ইরানের সামরিক জাহাজ ‘দেনা’ ধ্বংস হয়। এতে অন্তত ৮৪ জন ইরানি নৌ-সেনা নিহত হন।
এদিকে আজ ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ দাবি করেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এক বিমান হামলায় ইরানের গোয়েন্দা বিষয়কমন্ত্রী ইসমাইল খতিব নিহত হয়েছেন। তবে তার নিহতের বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইরানের পক্ষ থেকে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
কাৎজ বলেন, তিনি এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সামরিক বাহিনীকে যেকোনো জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তাকে হত্যার অনুমতি দিয়েছেন। এর জন্য আর কোনো বাড়তি অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ রাজনৈতিক ও সামরিক একাধিক শীর্ষ নেতা নিহত হন।
সূত্র: তাসনিম ও রয়টার্স


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









