ইনকিলাব মঞ্চের আহ্ববায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে অভিযোগপত্রে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেছেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এবং ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পির ‘পরিকল্পনাতেই’ হাদিকে হত্যা করা হয়।
তিনি বলেন, ‘পতিত (আওয়ামী লীগ) সরকারের বিরুদ্ধে হাদি সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, হাদি হত্যা মামলার অভিযোগপত্র মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) আদালতে দেওয়া হয়েছে। যে ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে ১১ জন গ্রেপ্তার আছে এছাড়া বাপ্পি ও ফয়সাল, আলমগীর, ফিলিপ, মুফতি মাহমুদ এবং ফয়সালের বোন জেসমিন পলাতক আছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
ওসমান হাদি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগের জন্য বিজয়নগর এলাকায় চলন্ত রিকশায় থাকা হাদিকে গুলি করেন মোটরসাইকেলের পেছনে বসে থাকা আততায়ী।
গুরুতর আহত হাদিকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে অস্ত্রোপচার করার পর রাতেই ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর দুদিন পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে হাদিকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ১৮ ডিসেম্বর হাদির মৃত্যুর খবর আসে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









