ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা দীর্ঘ সময় ধরে রাখতে ত্বকের ময়শ্চার লক করা অত্যন্ত জরুরি। সঠিক পদ্ধতি জানলে এই কাজটি খুব সহজেই করা যায়।
ময়শ্চার লক করার উপকার
ত্বকের ওপরের স্তর দুর্বল হয়ে গেলে পানি দ্রুত উবে যায়। এতে ত্বক হয়ে পড়ে রুক্ষ, নিষ্প্রভ ও সংবেদনশীল। ময়শ্চার লক করলে-
* ত্বক দীর্ঘ সময় নরম থাকে
* শুষ্কতা ও চুলকানি কমে
* বয়সের ছাপ দেরিতে দেখা দেয়
* ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা বজায় থাকে
ত্বকের ময়শ্চার লক করার কার্যকর উপায়:
ভেজা ত্বকে ময়েশ্চারাইজার
গোসল বা মুখ ধোয়ার পর ত্বক হালকা ভেজা থাকা অবস্থায় ময়েশ্চারাইজার লাগালে আর্দ্রতা ত্বকের ভেতর আটকে যায়।
স্কিনকেয়ারে নিয়ম মেনে চলুন
হিউমেকট্যান্ট: ত্বকে পানি টানে (গ্লিসারিন, সিরাম)
ইমোলিয়েন্ট: ত্বক নরম করে (শিয়া বাটার, সেরামাইড)
অক্লুসিভ: আর্দ্রতা বের হতে দেয় না (পেট্রোলিয়াম জেলি, স্কোয়ালেন)
মুখ ধোয়ার কুসুম গরম পানি ব্যবহার
অতিরিক্ত গরম পানি ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট করে দেয়, ফলে আর্দ্রতা দ্রুত হারিয়ে যায়। কুসুম গরম বা স্বাভাবিক ঠান্ডা পানি সবচেয়ে ভালো।
রাতে ভারী ময়েশ্চার লেয়ার ব্যবহার করুন
রাতে ত্বক নিজেকে রিপেয়ার করে। এ সময় একটু ভারী নাইট ক্রিম ব্যবহার করলে সারারাত আর্দ্রতা লক থাকে।
ত্বকের ধরন অনুযায়ী পণ্য বাছাই
শুষ্ক ত্বক: ক্রিম বা বাম টাইপ
তৈলাক্ত ত্বক: জেল বা লাইট লোশন
সংবেদনশীল ত্বক: সুগন্ধিমুক্ত পণ্য
ফেস অয়েলের পাতলা স্তর
ময়েশ্চারাইজারের ওপর হালকা ফেস অয়েল বা অল্প পেট্রোলিয়াম জেলি দিলে আর্দ্রতা বের হতে পারে না।
পর্যাপ্ত পানি পান
বাইরের যত্নের পাশাপাশি শরীর ভেতর থেকেও হাইড্রেটেড থাকা জরুরি। তাই দিনে পর্যাপ্ত পানি না খেলে ত্বক দ্রুত শুষ্ক হয়ে পড়ে।
কোন ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন
বারবার মুখ ধোয়া।
একসঙ্গে অনেক অ্যাকটিভ উপাদান ব্যবহার।
শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে দীর্ঘ সময় থাকা।
ত্বকের ময়শ্চার লক করা মানে শুধু ক্রিম লাগানো নয়, বরং সঠিক নিয়মে ও ধারাবাহিক যত্ন নেওয়া।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









