শীতের পোশাক হিসেবে সোয়েটশার্ট বেশ জনপ্রিয়। খেয়াল করলে দেখবেন, অনেক সোয়েটশার্টের গলার ঠিক নিচে বাড়তি কাপড়ের একটি উল্টো ত্রিভুজাকৃতি নকশা থাকে। অধিকাংশ মানুষ একে কেবল ফ্যাশন বা স্টাইল মনে করেন। কিন্তু সোয়েট শার্টের এ বিশেষ অংশের পেছনে একটি বিশেষ কারণ আছে। প্রায় একশ বছর আগে যখন প্রথম সোয়েটশার্ট তৈরি করা হয়েছিল, তখন থেকেই আছে এই ত্রিভুজ অংশ। কিন্তু এ নকশার কাজ কী, যা আজও সোয়েটশার্টে দেখা যায়?
এটি মূলত পোশাকটির ব্যবহারিক সুবিধা বাড়ানোর জন্য দেওয়া হয়। আগেকার দিনে খেলোয়াড়রা যখন অনুশীলন করতেন কিংবা যারা অনেক পরিশ্রমের কাজ করতেন, তাদের মাথা ও ঘাড়ের ঘাম গড়িয়ে গলার দিকে নেমে আসত। সোয়েটশার্টের এই বাড়তি ত্রিভুজাকার কাপড়টি মূলত সেই ঘাম দ্রুত শুষে নেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। এর ফলে ঘাম চুইয়ে নিচে নামতে পারত না। এতে অস্বস্তিও অনেক কম হতো।
এ ছাড়া সোয়েটশার্ট বা গেঞ্জি–জাতীয় কাপড়ের বড় সমস্যা হলো, বারবার পরার কারণে গলার অংশটি ঢিলা হয়ে বড় হয়ে যায়। সোয়েটশার্ট পরার সময় মাথা দিয়ে এটি টেনে ঢোকানোর ফলে গলার কাপড়ে অনেক চাপ পড়ে। ত্রিভুজাকার বাড়তি অংশটি সেই চাপ সামলে নেয়। এটি গলার কাপড়কে অতিরিক্ত টেনে বড় হতে বাধা দেয় এবং জামাটিকে মজবুত ও টেকসই করে তোলে। শীতের পোশাক হিসেবে সোয়েটশার্ট বেশ জনপ্রিয়। খেয়াল করলে দেখবেন, অনেক সোয়েটশার্টের গলার ঠিক নিচে বাড়তি কাপড়ের একটি উল্টো ত্রিভুজাকৃতি নকশা থাকে। অধিকাংশ মানুষ একে কেবল ফ্যাশন বা স্টাইল মনে করেন। কিন্তু সোয়েট শার্টের এ বিশেষ অংশের পেছনে একটি বিশেষ কারণ আছে। প্রায় একশ বছর আগে যখন প্রথম সোয়েটশার্ট তৈরি করা হয়েছিল, তখন থেকেই আছে এই ত্রিভুজ অংশ। কিন্তু এ নকশার কাজ কী, যা আজও সোয়েট শার্টে দেখা যায়?
এটি মূলত পোশাকটির ব্যবহারিক সুবিধা বাড়ানোর জন্য দেওয়া হয়। আগেকার দিনে খেলোয়াড়েরা যখন অনুশীলন করতেন কিংবা যারা অনেক পরিশ্রমের কাজ করতেন, তাদের মাথা ও ঘাড়ের ঘাম গড়িয়ে গলার দিকে নেমে আসত। সোয়েটশার্টের এই বাড়তি ত্রিভুজাকার কাপড়টি মূলত সেই ঘাম দ্রুত শুষে নেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। এর ফলে ঘাম চুইয়ে নিচে নামতে পারত না। এতে অস্বস্তিও অনেক কম হতো।
এ ছাড়া সোয়েট শার্ট বা গেঞ্জি- জাতীয় কাপড়ের বড় সমস্যা হলো, বারবার পরার কারণে গলার অংশটি ঢিলা হয়ে বড় হয়ে যায়। সোয়েটশার্ট পরার সময় মাথা দিয়ে এটি টেনে ঢোকানোর ফলে গলার কাপড়ে অনেক চাপ পড়ে। ত্রিভুজাকার বাড়তি অংশটি সেই চাপ সামলে নেয়। এটি গলার কাপড়কে অতিরিক্ত টেনে বড় হতে বাধা দেয় এবং জামাটিকে মজবুত ও টেকসই করে তোলে।
আধুনিক সোয়েট শার্টগুলো অনেক উন্নতমানের কাপড় দিয়ে তৈরি করা হয়। তাই ঘাম শুষে নেওয়ার জন্য আগের মতো সেই ত্রিভুজাকার কাপড়ের আর বিশেষ প্রয়োজন পড়ে না। তবু অনেক সোয়েট শার্টে এই নকশা এখনো দেখা যায়।
আজকাল এই ত্রিভুজ মূলত সুন্দর নকশা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এটি সোয়েট শার্টকে ভিন্টেজ লুক দেয়। মূলত ঐতিহ্যের খাতিরে ও সোয়েট শার্টের আসল রূপ বজায় রাখতেই ডিজাইনাররা এখনো ত্রিভুজটি কাপড়ে জুড়ে দেন।
বর্তমানে সোয়েট শার্টে এই ত্রিভুজাকার অংশের আগের মতো সেই প্রয়োজনীয়তা আর নেই। তবু বিভিন্ন ব্র্যান্ড বেশ কিছু কারণে এটি এখনো ব্যবহার করে।
এটি সোয়েট শার্টে একটি পুরোনো বা ভিন্টেজ ভাব নিয়ে আসে, যা দেখতে বেশ সুন্দর লাগে।
অনেক নামী ব্র্যান্ড এ নকশাকে তাদের নিজস্ব স্টাইল হিসেবে ধরে রেখেছে।
এটি এখনো সোয়েট শার্টের গলার অংশকে কিছুটা বাড়তি শক্তি দেয়। যাতে কাপড় সহজে না ছেঁড়ে বা ঢিলা হয়ে না যায়।
বলা যায়, পুরোনো ঐতিহ্যের প্রতি সম্মানই সোয়েট শার্টের এই নকশাকে আজও জনপ্রিয় করে রেখেছে।
সোয়েট শার্টের গলার নিচে যে ত্রিকোণাকার সেলাই করা অংশ দেখা যায়, সেটিকে গার্মেন্টসের ভাষায় ‘ভি-স্টিচিং’ ইনসার্ট বা ‘ভি-নচ’ বলা হয়। পোশাকের এই বিশেষ নকশা প্রথম চালু হয়েছিল ১৯২০ সালে। সোয়েট শার্টের এই ত্রিভুজাকার নকশা প্রায় ১০০ বছর ধরে প্রচলিত। তখন খেলোয়াড় ও শ্রমিকদের পোশাকে এ নকশা নিয়মিত ব্যবহার করা হতো।
‘চ্যাম্পিয়ন’ ও ‘রাসেল অ্যাথলেটিক’–এর মতো নামী ব্র্যান্ডগুলো এ নকশাকে সবার কাছে পরিচিত করে তোলে।
১৯২০ সালে উলের ভারী সোয়েটারের বদলে আরামদায়ক বিকল্প হিসেবে সোয়েট শার্ট তৈরি করা হয়।
তার বেশ কয়েক বছর পর থেকে খেলাধুলার পোশাকে এই ‘ভি’ আকৃতির অংশ একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়ায়।
১৯৫০ সালের দিকে সোয়েট শার্ট সাধারণ ফ্যাশনে জায়গা করে নেয়। তখন কেবল সৌন্দর্যের জন্যই ত্রিভুজ নকশাটি রাখা হতো।
সব সোয়েট শার্টে এ ত্রিভুজ থাকে না। এটি সাধারণত পুরোনো বা ভিন্টেজ স্টাইলের পোশাকে বেশি দেখা যায়।
গোল গলার সোয়েট শার্টগুলোয় এই ত্রিভুজ নকশা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। হুডি বা জিপ দেওয়া সোয়েট শার্টে এটি সাধারণত থাকে না।
খেলোয়াড়দের পোশাকে এর পুরোনো আমেজ ধরে রাখতে এটি ব্যবহার করা হয়।
‘লিভাইস’ বা ‘চ্যাম্পিয়ন’–এর মতো পুরোনো ব্র্যান্ডগুলো তাদের ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে এ নকশা ব্যবহার করে।
আপনি যদি কোনো ক্ল্যাসিক বা পুরোনো ধাঁচের সোয়েট শার্ট কিনতে চান, তবে এই ত্রিভুজ নকশা দেখে আসল সোয়েট শার্ট চিনতে পারবেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









