আম্মান শহরকে প্রথম দেখলে তার বইয়ের সঙ্গে সম্পর্কটি সহজে বোঝা যায় না। পাহাড়ের ঢালে ধাপে ধাপে উঠে যাওয়া শহর, ফ্যাকাশে পাথরের বাড়ি, সরু রাস্তা, দূরে মরুভূমির দিকে চলে যাওয়া দিগন্ত—সব মিলিয়ে তাকে মনে হয় যেন বহু পুরোনো কোনো ভ্রমণপথের পাশে গড়ে ওঠা একটি শহর। কিন্তু এই শহরেই প্রতিবছর এমন একটি সময় আসে, যখন দেশের নানা প্রান্ত থেকে মানুষ বই নিয়ে এখানে জড়ো হয়। আর তখন আম্মানের পাথুরে রাস্তাগুলো যেন অন্য এক ভূগোলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়।
সেই সময়টি আবার আসছে
‘২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর ২০২৬’ পর্যন্ত জর্ডানের রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হবে ‘২৫তম আম্মান আন্তর্জাতিক বইমেলা’। মক্কা মলের জর্ডান আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী কেন্দ্রে বসবে এবারের আয়োজন। মেলাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এবং আয়োজন করছে জর্ডানিয়ান পাবলিশার্স অ্যাসোসিয়েশন। এবারের মেলায় অংশগ্রহণের জন্য প্রায় ‘৭৩৩টি আবেদন’ জমা পড়েছে। সংখ্যাটি শেষ পর্যন্ত কতটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের অংশগ্রহণে রূপ নেবে, তা তখনই পুরোপুরি জানা যাবে; তবে এতগুলো আবেদনের মধ্যেই বোঝা যায়, আম্মান এখন আর কেবল জর্ডানের একটি বইমেলার শহর নয়।
এবারের আয়োজনের আরেকটি বিশেষ দিক হলো ‘ইরাককে সম্মানিত অতিথি হিসেবে নির্বাচন করা’। এই সিদ্ধান্তের মধ্যে শুধু দুই প্রতিবেশী দেশের বন্ধুত্বের কথা নেই। এর মধ্যে রয়েছে এমন একটি সাহিত্যিক ইতিহাসের স্মরণ, যার শিকড় বহু হাজার বছর পেছনে চলে যায়।
একটি বইমেলার শুরু
আম্মান বইমেলার ইতিহাস আসলে জর্ডানের প্রকাশনা-সংস্কৃতির ইতিহাসের সঙ্গে মিশে আছে।
১৯৮৯ সালের দিকে জর্ডানের কয়েকজন প্রকাশক একত্রিত হয়ে নিজেদের পেশাগত স্বার্থ রক্ষা এবং দেশের প্রকাশনা ও বই বিতরণব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার জন্য একটি সংগঠন গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন। পরে সেই উদ্যোগ থেকে তৈরি হয় জর্ডানিয়ান পাবলিশার্স অ্যাসোসিয়েশন। প্রকাশকদের এই সংগঠনই পরবর্তী সময়ে বইমেলাকে একটি স্থায়ী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।
প্রথমদিকে ব্যাপারটি ছিল অনেক ছোট। কিন্তু বইয়ের একটি অদ্ভুত স্বভাব আছে—একবার তার জন্য একটি দরজা খুললে সে খুব সহজে থেমে থাকে না।
একটি দেশের বইমেলা ধীরে ধীরে অন্য দেশের প্রকাশকদের আকর্ষণ করতে শুরু করে। তারপর আসে লেখক, অনুবাদক, গবেষক ও পাঠক। একটি জাতীয় আয়োজন ক্রমে আঞ্চলিক হয়ে ওঠে, আর একসময় তার দরজা আন্তর্জাতিক প্রকাশনা জগতের জন্যও খুলে যায়।
আম্মানের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে
গত দুই দশকের বেশি সময় ধরে বইমেলাটি আরব বিশ্বের প্রকাশক ও পাঠকদের মধ্যে যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা তৈরি করেছে। ২০১৯ সালের মেলাতেই ২২টি দেশের প্রায় ৩৫০টি আরব ও বিদেশি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছিল। সেই আয়োজনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক প্রকাশনা জগতের একটি আঞ্চলিক সম্মেলনও হয়েছিল।
এই ইতিহাসের দিকে তাকালে বোঝা যায়, আম্মান বইমেলার আসল শক্তি শুধু তার আকারে নয়। তার শক্তি হলো যোগাযোগে।

আরব বিশ্বের একটি মানচিত্র
আরবি সাহিত্যকে কোনো একটি দেশের মধ্যে আটকে রাখা যায় না।
একটি কবিতা হয়তো বাগদাদে লেখা হয়েছিল। তার পাঠক পাওয়া গেল আম্মানে। একটি উপন্যাস প্রকাশিত হলো বৈরুতে, কিন্তু তার গল্প পৌঁছে গেল কায়রো কিংবা রাবাতে। কোনো লেখক হয়তো নিজের দেশ থেকে অনেক দূরে বসে লিখছেন, কিন্তু তার ভাষার স্মৃতি থেকে যাচ্ছে সেই দেশের মাটিতে।
আরব সাহিত্য আসলে বহু শহর, বহু দেশ এবং বহু প্রজন্মের সম্মিলিত স্মৃতি। আম্মান বইমেলা সেই বিশাল সাহিত্যিক ভূগোলের একটি সংযোগস্থল।
জর্ডানের অবস্থানও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। লেভান্ত, ইরাক ও আরব উপদ্বীপের মধ্যবর্তী এই দেশ বহু শতাব্দী ধরে মানুষ ও সংস্কৃতির চলাচলের পথের কাছে ছিল। আধুনিক আম্মান সেই পুরোনো চলাচলের ওপরই যেন নতুন একটি স্তর তৈরি করেছে—এবার পথটি বইয়ের।
একজন প্রকাশক এখানে এমন একজন লেখকের সঙ্গে দেখা করতে পারেন, যার বই তিনি আগে শুধু দূর থেকে দেখেছেন। একজন পাঠক এমন একটি দেশের সাহিত্য আবিষ্কার করতে পারেন, যার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত কোনো সম্পর্ক নেই। একজন অনুবাদক হয়তো এমন একটি বই খুঁজে পান, যা কয়েক বছর পর অন্য ভাষার পাঠকের হাতে পৌঁছে যাবে।
এইভাবেই সাহিত্য ভ্রমণ করে। মানুষের মতো বইয়েরও সীমান্ত আছে, কিন্তু সেই সীমান্ত অতিক্রম করার ক্ষমতাও আছে।
বইয়ের বাজারের চেয়ে বড় কিছু
একটি বড় বইমেলায় প্রথম যে দৃশ্যটি চোখে পড়ে, সেটি হলো বই।
সারি সারি স্টল। প্রচ্ছদের রং। নতুন উপন্যাস। কবিতার বই। ইতিহাস। দর্শন। শিশুদের বই। ধর্ম, রাজনীতি, সমাজ ও বিজ্ঞান নিয়ে নানা ধরনের প্রকাশনা। কোনো স্টলের সামনে কয়েকজন পাঠক দাঁড়িয়ে আছেন; অন্য কোথাও একজন লেখক তাঁর বইয়ে স্বাক্ষর করছেন।
কিন্তু এসবের আড়ালে আরেকটি জিনিস ঘটে—কথা বলা। বইমেলা মূলত কথোপকথনের জায়গা। একজন লেখক পাঠকের সঙ্গে কথা বলেন। একজন প্রকাশক অন্য প্রকাশকের সঙ্গে কথা বলেন। কেউ একটি বই নিয়ে তর্ক করেন। কেউ হয়তো এমন একটি বই খুঁজে পান, যার নাম তিনি আগে কখনো শোনেননি।
এই অনিশ্চয়তাটিও বইমেলার সৌন্দর্য। ইন্টারনেটে আমরা সাধারণত যা খুঁজতে চাই, সেটিই খুঁজি। কিন্তু বইমেলায় মানুষ প্রায়ই এমন কিছু খুঁজে পায়, যার সন্ধান সে আসলে করছিল না।
একটি বই হঠাৎ সামনে এসে দাঁড়ায়। তারপর পাঠক সেটি তুলে নেয়। সেখান থেকেই হয়তো শুরু হয় আরেকটি যাত্রা।
কেন ২৫তম আসর গুরুত্বপূর্ণ
২০২৬ সালের মেলার সবচেয়ে বড় তাৎপর্য হলো—এটি ‘২৫তম আসর’। একটি সাংস্কৃতিক আয়োজনকে এক-চতুর্থাংশ শতাব্দী ধরে টিকিয়ে রাখা সহজ নয়। বিশেষ করে এমন একটি অঞ্চলে, যেখানে রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়, অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হয় এবং মানুষের স্বাভাবিক জীবন বারবার বাধাগ্রস্ত হয়।
তারপরও বইমেলা ফিরে এসেছে। এই ধারাবাহিকতার মধ্যে একটি সাংস্কৃতিক জেদ আছে। আয়োজকদের কাছে ২৫তম আসর জর্ডানের প্রকাশনা ও সাংস্কৃতিক জীবনের দীর্ঘ পথচলার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এবারের অংশগ্রহণের আগ্রহও সেই ধারাবাহিকতার আরেকটি প্রমাণ। আগস্টে নিবন্ধন বন্ধ হওয়ার সময় প্রায় ৭৩৩টি আবেদন জমা পড়েছিল। এরপর আয়োজকদের একটি কারিগরি কমিটি আবেদনগুলো যাচাই করে অংশগ্রহণ চূড়ান্ত করার কাজ শুরু করে।
একটি বইমেলার সাফল্য শুধু কতটি বই বিক্রি হলো, তা দিয়ে মাপা যায় না। কতজন নতুন পাঠক এলেন, কতজন লেখক নতুন পাঠকের কাছে পৌঁছালেন, কতটি অনুবাদের সম্ভাবনা তৈরি হলো, কতজন প্রকাশক নতুন সম্পর্ক তৈরি করলেন—এসবও তার হিসাবের অংশ।

এবারের কেন্দ্রবিন্দু ইরাক
২০২৬ সালে সেই হিসাবের কেন্দ্রে থাকবে ইরাক। ইরাককে সম্মানিত অতিথি করার সিদ্ধান্তের মধ্যে ইতিহাসের একটি দীর্ঘ ছায়া রয়েছে। মেসোপটেমিয়ার ভূমির সঙ্গে মানুষের লিখিত সভ্যতার প্রাচীন ইতিহাস জড়িয়ে আছে। বহু শতাব্দী পরে বাগদাদ হয়ে উঠেছিল জ্ঞানচর্চা, অনুবাদ, দর্শন, বিজ্ঞান ও সাহিত্যের এক মহাকেন্দ্র। আধুনিক ইরাকি সাহিত্য সেই দীর্ঘ ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার বহন করে।
ইরাকি কবিতা ও উপন্যাসে যুদ্ধ এসেছে, নির্বাসন এসেছে, স্মৃতি এসেছে। এসেছে শহর হারানোর বেদনা, ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা এবং নিজের মাটিকে দূর থেকে দেখার অভিজ্ঞতা। এই কারণেই আম্মান বইমেলায় ইরাকের উপস্থিতি বিশেষ অর্থ বহন করে।
এটি শুধু একটি দেশের বই প্রদর্শনের আয়োজন হবে না। এটি হতে পারে ইরাকের সাহিত্যিক স্মৃতি এবং সমকালীন সৃষ্টিশীলতার সঙ্গে আরব বিশ্বের পাঠকদের নতুন করে পরিচিত হওয়ার একটি সুযোগ। আয়োজকেরা ইরাককে ঘিরে বিশেষ সাংস্কৃতিক কর্মসূচির পরিকল্পনা করেছেন। লেখক, বুদ্ধিজীবী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার লক্ষ্য রয়েছে।
২০২৬: কী থাকছে মেলায়?
মেলার পূর্ণাঙ্গ সাংস্কৃতিক সূচি এখনো প্রকাশিত হয়নি। তাই নির্দিষ্ট লেখক, আলোচনার বিষয় বা প্রতিদিনের অনুষ্ঠান সম্পর্কে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।
তবে মেলার মূল কাঠামো স্পষ্ট। থাকবে দেশি-বিদেশি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। থাকবে নতুন বইয়ের প্রদর্শনী ও বিক্রি। লেখক-পাঠকের সাক্ষাৎ, বই প্রকাশ, স্বাক্ষর অনুষ্ঠান এবং সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে আলোচনা থাকবে বলে আশা করা যায়। শিশু ও তরুণ পাঠকদের জন্য বই এবং পাঠাভ্যাস তৈরির উদ্যোগও মেলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতের বইমেলা শুধু বই বিক্রি করবে না; পাঠক তৈরি করবে।
কারণ পৃথিবী বদলাচ্ছে। মানুষ এখন মোবাইল ফোনে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবর পায়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে লেখা তৈরি হচ্ছে। বইয়ের বাজারও সেই পরিবর্তনের বাইরে নেই। তবু কাগজের বই এখনও হারিয়ে যায়নি। বরং একটি বই হাতে নেওয়ার অভিজ্ঞতা এখনো আলাদা। পাতার শব্দ, মুদ্রিত অক্ষর, প্রচ্ছদ, বইয়ের গন্ধ—এসবের সঙ্গে পাঠের একটি শারীরিক সম্পর্ক রয়েছে।
আম্মান বইমেলার মতো আয়োজন সেই সম্পর্কটিকে মানুষের সামনে আবার ফিরিয়ে আনে।
আরবি থেকে বিশ্বসাহিত্যের দিকে
আম্মান বইমেলার গুরুত্ব শুধু আরবি ভাষার ভেতরে সীমাবদ্ধ নয়।
আজকের পৃথিবীতে কোনো সাহিত্যই একা বেঁচে থাকে না। অনুবাদ তাকে এক ভাষা থেকে আরেক ভাষায় নিয়ে যায়। একটি আরবি উপন্যাস ইংরেজিতে গিয়ে নতুন পাঠক পায়। একটি জাপানি উপন্যাস আরবিতে এসে অন্য এক সমাজের মানুষের কাছে পৌঁছায়। একটি আফ্রিকান কবিতা হয়তো আম্মানের কোনো তরুণ পাঠকের হাতে এসে তার নিজের পৃথিবীকে নতুন করে দেখতে শেখায়।
বইমেলা সেই যাত্রার একটি বাস্তব জায়গা। প্রকাশক এখানে বিদেশি প্রকাশকের সঙ্গে কথা বলেন। অনুবাদক নতুন বই খোঁজেন। সাহিত্যিকরা নিজেদের কাজের কথা বলেন। আর পাঠক দাঁড়িয়ে থাকেন সেই সব কথার মাঝখানে। এভাবেই একটি শহর বিশ্বের সঙ্গে কথা বলতে শেখে।

আম্মানের বইয়ের শহর
সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে যখন মেলার দরজা খুলবে, তখন হয়তো আম্মানের বাইরে থেকে আসা একজন পাঠক প্রথমবার কোনো ইরাকি কবির বই হাতে নেবেন। কোনো শিশু প্রথমবার নিজের পছন্দের গল্পের বই কিনবে। কোনো তরুণ লেখক হয়তো কোনো প্রকাশকের সঙ্গে কথা বলবেন। কোনো অনুবাদক হয়তো এমন একটি উপন্যাস খুঁজে পাবেন, যা একদিন অন্য ভাষার পাঠকের কাছে পৌঁছাবে।
এসব ছোট ঘটনা। কিন্তু সাহিত্য সবসময় ছোট ঘটনা দিয়েই বড় হয়। একটি বই এক হাত থেকে আরেক হাতে যায়। একটি গল্প এক শহর থেকে অন্য শহরে যায়। একটি ভাষার স্মৃতি অন্য ভাষার মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।
২৫তম আম্মান আন্তর্জাতিক বইমেলার সবচেয়ে বড় অর্থ হয়তো এখানেই। জর্ডানের রাজধানী আবার কয়েক দিনের জন্য একটি বইয়ের শহরে পরিণত হবে। ইরাক তার সঙ্গে নিয়ে আসবে তার দীর্ঘ স্মৃতি ও সমকালীন সাহিত্য। আরব বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসবে নতুন বই, পুরোনো গল্প, নতুন কণ্ঠ।
বাইরে তখন আম্মানের পাহাড় একই থাকবে। পাথরের বাড়িগুলোও থাকবে। মরুভূমির বাতাসও হয়তো একইভাবে শহরের ওপর দিয়ে বয়ে যাবে। শুধু মানুষের হাতে হাতে ঘুরবে কিছু নতুন বই। আর সেই বইগুলোর ভেতর দিয়ে, অদৃশ্য কোনো পথে, এক শহর আরেক শহরের সঙ্গে কথা বলবে। হয়তো এটাই একটি বইমেলার সবচেয়ে বড় কাজ—মানুষকে একই জায়গায় দাঁড় করিয়ে দেওয়া নয়, বরং তাদের গল্পগুলোকে এমনভাবে যাত্রা করানো, যাতে তারা একদিন দূরের কোনো মানুষের কাছেও পৌঁছে যায়।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









