রাজধানীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “এ ক্ষেত্রে আমি এইটুকু নিশ্চয়তা দিতে পারি যে, সম্ভাব্য সংক্ষিপ্ত সময়ের ভেতরে একটা দৃষ্টান্তমূলক বিচার সম্পন্ন হবে।’’
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এই আশ্বাস দেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এ ক্ষেত্রে আমি এইটুকু নিশ্চয়তা দিতে পারি যে, সম্ভাব্য সংক্ষিপ্ত সময়ের ভেতরে একটা দৃষ্টান্তমূলক বিচার সম্পন্ন হবে। সাজার কথা তো আমি বলতে পারব না।”
গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে পাল্টা প্রশ্ন রেখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা দায়িত্বে আসার পর, এ পর্যন্ত যতগুলো এই জাতীয় হেনিয়াস ক্রাইম (গুরুতর অপরাধ) হয়েছে, আপনারা কি কেউ একটা ক্রাইমের ক্ষেত্রেও বলতে পারবেন যে, পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করেনি এবং সংক্ষিপ্ত সময়ের ভেতরে তারা অ্যারেস্ট করতে পারেনি? একটাও নেই। আমার কাছে সবগুলোর তালিকা আছে। যদি তার ব্যত্যয় কিছু হয়ে থাকে, আপনারা প্রশ্ন তুলতে পারবেন।”
তিনি আরও বলেন, “রামিসার ব্যাপারেও ২৪ ঘণ্টার ভেতরে আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। প্রধান আসামির নাম সম্ভবত সোহেল খান, তার স্ত্রীসহ তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। (দণ্ডবিধির) ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। আমরা এটুকু আশ্বাস দিতে পারি, আমাদের পক্ষ থেকে সংক্ষিপ্ত সময়ের ভেতরে সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে। বিচারের দায়িত্ব আদালতের।”
সালাহউদ্দিন বলেন, “বিচারহীনতার যে বিষয়টা সবাই সব সময় বলে থাকে, এটা সর্বক্ষেত্রে সঠিক নয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিচার বিলম্বিত হয়, সেজন্য মানুষ মনে করে হয়তো বিচার পাবে না। কিন্তু এই জাতীয় অপরাধগুলো—আমি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও দেখেছি, আমি তাদেরকে কৃতিত্ব দিতে চাই; সেই সময়েও এই জাতীয় কয়েকটা ঘটনা হলে সংক্ষিপ্ত সময়ের ভেতরে আইনি ব্যবস্থা তারা গ্রহণ করেছে।”
শিশু ধর্ষণে প্রকাশ্যে শাস্তির দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা এখন মধ্যযুগে নেই। আইন সংস্কার চলমান প্রক্রিয়া। সমাজ ও সময়ের চাহিদা অনুযায়ী আইন আপডেট করতে হয়। আবেগে চটজলদি আইন বা ট্রাইবুনাল করলে অপব্যবহার হতে পারে। নারী ও শিশু আদালতের এখতিয়ার বাড়িয়েই কাজ করা যায়, ৬৪ জেলায় আলাদা আদালতের রেভিনিউ চাপ আছে।”


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









