রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদ ভবনে পদত্যাগপত্র গ্রহণ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন স্পিকার।
সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। আর ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে অথবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা কিংবা অন্য কোনো কারণে দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
এ ছাড়া সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। সংবিধানের ৪৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এ নিয়ে দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কয়েক দিন ধরেই আলোচনা চলছে।
মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় পৌনে দুই বছর আগেই তিনি পদত্যাগ করলেন।
২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিনের অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছিল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সেই আলোচনা আরও জোরালো হয়। শেষ পর্যন্ত তার পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে পরিবর্তন এলো।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









