ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। একই দিনে সাংবিধানিক, নির্বাচনী ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার বিষয়ে গণভোটও হবে, যা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কাঠামোকে নতুন রূপ দেবে বলে দাবি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের। এই জোড়া ভোটকে কেন্দ্র করে বিশ্ববাসীর নজর এখন বাংলাদেশের দিকে। সারাদেশে শুরু হয়েছে উৎসবের আমেজ। আজ বুধবার থেকে সারাদেশে ভোটের জন্য নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়। ছুটি শুরুর আগেই সোমবার রাত থেকে দলে দলে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন ভোটাররা।
গতকাল দিনভর বাস, লঞ্চ ও ট্রেনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় পরিলক্ষিত হয়। বাড়ির পথে রওনা দেয়া যাত্রীরা বলছেন, বহুদিন পর দেশে একটি উৎসবমুখর ভোট হচ্ছে। দেশের ক্রিয়াশীল অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে এবারের ভোট হচ্ছে। ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে বলে প্রত্যাশা করছেন। তবে, এবারের ভোটকে আবেগ নয়, বিবেক হিসেবে দেখার পরামর্শ বিশ্লেষকদের। তারা বলছেন, বিশ্ববাসী মূলত এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি টেকসই গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা, স্বচ্ছতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার প্রতিফলন দেখতে চায়।
আন্তর্জাতিক মহলের প্রত্যাশা— এই নির্বাচন হবে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ, যা দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আস্থাহীনতা দূর করবে। বিশ্ববাসী চায় বাংলাদেশের এই রাজনৈতিক উত্তরণ যেন স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে এবং দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কোনো অস্থিরতা তৈরি না করে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন, ভারত ও পাকিস্তানসহ প্রভাবশালী দেশগুলো বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের রূপরেখা এবং অর্থনৈতিক ধারাবাহিকতা নিয়ে গভীর আগ্রহী।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বেলাল হোসেন বলেন, এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পালাবদলের ভোট নয়। এটা দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের চাবিকাঠি। এবার দলীয় প্রার্থীদের ভোট দেয়ার পাশাপাশি গণভোটের পক্ষে রায় দিতে হবে। এই রায় দিতে হবে বিবেক দিয়ে। থাকতে হবে জুলাই চেতনার আবেগও। তিনি আরও বলেন, দেশের আগামীর সম্ভাবনা, স্থিতিশীলতা ও দুর্নীতিমুক্ত নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে যোগ্যপ্রার্থীদের ভোট দিয়ে ক্ষমতার মসনদে বসাতে হবে। যারা জুলাই চেতনার আলোকে রাষ্ট্র সংস্কারকে গুরুত্ব দেবে। দেশের মালিকানা দেশের জনগণকে ফিরিয়ে দেবে।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের হলরুমে বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য তথ্য অধিদপ্তরের ‘মিডিয়া সেন্টার’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জানান, দেশের ২৯৯টি আসনে ব্যালট পেপার পৌঁছে যাওয়ার মধ্য দিয়ে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি বলেন, শেরপুর-৩ ব্যতীত দেশের ২৯৯টি আসনের সব ব্যালট পেপার চলে গেছে, নির্বাচন উপকরণ চলে গেছে। ব্যালট পেপার রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে পর্যাক্রমিক অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার এবং অফিসারদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট জায়গায় চলে যাচ্ছে। তার মানে ভোটগ্রহণের যে প্রস্তুতি সেটা সম্পন্ন হয়েছে, যে জন্য অপেক্ষা করে ছিলাম।
ইসি সচিব বলেন, আগামী ১২ তারিখ সকালে ভোট দিয়ে যুগ-যুগান্তরের একটা সন্ধিক্ষণে আসব এবং দেশের নতুন একটি অধ্যায়ের শুভসূচনা হবে। এই পথটা খুব সহজ, মসৃণ ছিল না, অনেক বাধা উত্তরণ করে এখানে আসতে হয়েছে। ভোট গণনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১২ তারিখ বিকাল সাড়ে ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হলে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল প্রথমে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে যাবে। সেখান থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ফলাফল সংকলন করে নির্বাচন কমিশনে পাঠাবেন। কমিশন পর্যায়ক্রমে সেই ফলাফল প্রকাশ করবে।
ইসি সচিব আরো বলেন, এবারই প্রথমবারের মতো পোস্টাল ব্যালটের কারণে রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে আলাদা একটি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। পোস্টাল ব্যালট গণনায় কাঠামোগত প্রক্রিয়া ও যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন থাকায় এসব কেন্দ্রের ফলাফল আসতে তুলনামূলকভাবে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে, কোনো অবস্থাতেই ফল প্রকাশ অযথা দীর্ঘায়িত হবে না। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন নিয়মিত তথ্য সরবরাহ করবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্যের ব্যাখ্যাও দেবে। এ সময় অপতথ্য ও অপপ্রচার থেকে সবাইকে বিরত থাকার ও সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সত্য যতই নির্মম কঠিন হোক না কেন, আমরা সেটাই বলব...অসুবিধা নেই তো। সত্য সত্যই।’
এবারের নির্বাচন ঘিরে বিদেশিদের আগ্রহ অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। বিভিন্ন দেশ থেকে শুরু করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও কমনওয়েলথের মতো সংস্থাগুলো নিবিড়ভাবে এই প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোও এই নির্বাচনকে ঘিরে সক্রিয়। তাদের প্রধান উদ্বেগ ও চাওয়া হলো— নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় মানবাধিকারের পূর্ণ সুরক্ষা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং নাগরিকদের ভয়-ডরহীন অংশগ্রহণ। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই নির্বাচনকে একটি ‘লিটমাস টেস্ট’হিসেবে দেখছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো সংস্থাগুলো এরই মধ্যে মানবাধিকার রক্ষা, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে কড়া তাগিদ দিয়েছে। বিদেশিদের আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা; তবে তাদের মনে রয়েছে কিছু গভীর শঙ্কাও। বিশেষ করে ইসলামপন্থি দলগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রভাব, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং একটি প্রধান রাজনৈতিক দলের অনুপস্থিতিতে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বিরাজ করছে। তাদের ভয়, রাজনৈতিক বিভাজন যদি চরম আকার ধারণ করে, তবে তা দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। এই বহুমুখী প্রত্যাশা আর শঙ্কাকে সঙ্গী করেই বিশ্ববাসী এখন বাংলাদেশের ভোটের দিনটির অপেক্ষায় প্রহর গুনছে।
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। দায়িত্ব নেওয়ার পরই সরকার একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার ভোটের তারিখ নির্ধারিত হয়। প্রায় ১২ কোটি ৭৭ লাখ ভোটার এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন, যেখানে ২৯৯ আসনে লড়ছেন এক হাজারেরও বেশি প্রার্থী। শেরপুর-৩ আসনের একজন প্রার্থী মারা যাওয়ায় ওই আসনের ভোট স্থগিত করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে একে ‘ইতিহাসের সেরা ও সর্বাধিক স্বচ্ছ নির্বাচন’হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস গত বছরের আগস্টে এই নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেন এবং ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’জারি করেন, যার মূল লক্ষ্য ছিল গণতান্ত্রিক সংস্কার। এবারের নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি জোট এবং ১১ দলীয় জামায়াত-ই-ইসলামী জোট।
নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকদের তৎপরতা ব্যাপক পরিলক্ষিত হয়। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে তদের কাছে। দফায় দফায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে দেখা করছেন প্রভাবশালী বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা। কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানাচ্ছে, বিদেশিরা মূলত ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্র পরিচালনা কেমন হবে এবং বিনিয়োগের নিরাপত্তা কী থাকবে, তার নিশ্চয়তা খুঁজছে। গত ২৫ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইইউ ও জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ ছাড়া মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন এবং ইইউ অ্যাম্বাসাডর মাইকেল মিলার নিয়মিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত দেড় মাসে কূটনৈতিকরা বিএনপি-জামায়াতের সাথে নিয়মিত বৈঠক করেছে। ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় বর্মাও তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর যোগাযোগ নাটকীয়ভাবে বেড়েছে। মার্কিন দূতাবাসের একটি সূত্র বলেন, বিগত সময়ে জামায়াতের উত্থানের এমন অপার সম্ভাবনা লক্ষ্য হয়নি ফলে আমরা সেসময় কেবল দলটির সঙ্গে ক্যাজুয়াল আলোচনা বা যোগাযোগ রাখতাম। তবে চব্বিশ-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে ইসলামী দলের উত্থান আমরা দেখতে পাচ্ছি, তাই দলটির সঙ্গে আমাদের সংযোগ বেড়েছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়মিত কাজের অংশ। অপরদিকে ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মার্কিন কূটনীতিকরা জামায়াতকে ‘বন্ধু’ হিসেবে পেতে আগ্রহী এবং তাদের আলোচনায় নিয়ে আসার পরামর্শ দিচ্ছেন। যদিও অফিসিয়াল অবস্থান অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট দলকে সমর্থন করে না, তবে বিশ্লেষকরা একে ‘প্র্যাগম্যাটিক কূটনীতি’হিসেবে দেখছেন। তবে সর্বশেষ বেশ কয়েকটি জরিপে বিএনপি জোটের এগিয়ে থাকার আভাস পাওয়া গেছে।
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং বঙ্গোপসাগরের কৌশলগত গুরুত্ব একে চীন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতার কেন্দ্রে পরিণত করেছে। যুক্তরাষ্ট্র চায় বাংলাদেশে চীনের প্রভাব কমাতে। বাংলাদেশ ভারতের কাছ থেকে পণ্য আমদানি করে এবং চীনের বিনিয়োগ নেয়। বাংলাদেশসহ পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে সীমান্ত থাকা ভারত আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে চীন তার বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (বিআরআই) অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে শিল্পাঞ্চল বিনিয়োগ এবং তিস্তা প্রকল্পে যুক্ত হতে চায়। এ লক্ষ্যে দেশটি সব দলের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখছে। এদিকে গণতান্ত্রিক সরকার এবং মানবাধিকারের সুরক্ষা চায় যুক্তরাষ্ট্র। বাণিজ্য ও সামরিক খাতে নিজস্ব এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য একটি উদার সরকার প্রত্যাশা করে দেশটি। পাকিস্তান এতদিন বাংলাদেশের রাজনীতিতে দৃশ্যমান সক্রিয়তা না দেখালেও অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্বে আসার পর নানা ক্ষেত্রে নিজেদের আগ্রহ প্রকাশ করছে। বাণিজ্য ও শ্রম অধিকার প্রত্যাশা করা ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি গন্তব্য হিসেবে নির্বাচনী সংস্কার এবং সহিংসতা এড়াতে চায়। মূলত সবাই চায় একটি স্থিতিশীল সরকার, যা তাদের অর্থনৈতিক এবং ভূরাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করবে।
নির্বাচনের স্বচ্ছতা যাচাই করতে প্রায় ৫০০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক ঢাকায় আসছেন। এর মধ্যে ৩৫০ জনের বেশি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ১৭৮ জন এবং ওয়াইসি থেকে ৬৩ জন পর্যবেক্ষক আসছেন। এ ছাড়া ১৬টি দেশ থেকে ৫৭ জন দ্বিপক্ষীয় পর্যবেক্ষক আসছেন, যার মধ্যে মালয়েশিয়া থেকে সর্বোচ্চ ১৪ জন, তুরস্ক থেকে ১২, ইন্দোনেশিয়া থেকে ৫, জাপান থেকে ৪, পাকিস্তান থেকে ৩ এবং চীন, ভুটান, মালদ্বীপ, ফিলিপাইন, জর্ডান, জর্জিয়া, রাশিয়া, কিরগিজস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা প্রভৃতি দেশ থেকে ১-২ জন করে। এ ছাড়া ৩২ জন ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষকও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়ে যোগ দিচ্ছেন। কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট নানা আকুফো-আড্ডো। এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনসও ২২ সদস্যের দল পাঠিয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ব্যাপক আন্তর্জাতিক উপস্থিতি নির্বাচনের স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









