জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জোটের প্রার্থী হিসেবে এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম চূড়ান্ত করেছে।
রবিবার (৯ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে জোটের শরিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এর মধ্য দিয়ে ১৯৯১ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, জাগপা সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার ফুয়াদ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদসহ জোটের অন্য নেতারা।
সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একমাত্র বিরোধী দল হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী দেওয়ার নজির রয়েছে। সে সময় আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থেকে বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দিয়েছিল। নির্বাচনে তিনি বিএনপির প্রার্থী আব্দুর রহমান বিশ্বাসের কাছে ৮০ ভোটে পরাজিত হন।
এরপর থেকে প্রতিবারই ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২১১টি আসন পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। অন্যদিকে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোট ৬৮টি আসন পায়।
এ ছাড়া বিএনপির জোটের শরিকদের মধ্যে বিজেপি, গণসংহতি আন্দোলন ও গণঅধিকার পরিষদ একটি করে আসন পেয়েছে। জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের জাতীয় নাগরিক পার্টি ৬টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি এবং খেলাফত মজলিস একটি আসন পেয়েছে। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৭টি এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি আসন লাভ করেছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









