সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২

The Daily Adin Logo
The Daily Adin Logo

তারেক-শফিক: সংস্কারের দ্বৈরথ

তারুণ্যের কর্মসংস্থান বনাম কাঠামোগত রাষ্ট্রীয় সংস্কার

প্রকাশিত: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:১৩ পিএম

আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:১৩ পিএম

তারুণ্যের কর্মসংস্থান বনাম কাঠামোগত রাষ্ট্রীয় সংস্কার

চব্বিশের ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে আজ কেবল ক্ষমতার পালাবদল নয়, বরং রাষ্ট্রকাঠামো ও অর্থনৈতিক দর্শনের আমূল পরিবর্তনের দাবি সর্বজনীন। গত ১৫ বছরের অপশাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক ধ্বংসযজ্ঞের পর দেশ যখন এক ঐতিহাসিক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে, তখন দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক শক্তি বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামী ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য তাদের নিজস্ব রূপরেখা ও উন্নয়ন দর্শন জাতির সামনে উপস্থাপন করেছে। 

গত ৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) মাধ্যমে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান নিজ নিজ দলের চূড়ান্ত রোডম্যাপ ব্যক্ত করেন। একদিকে তারেক রহমান ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি এবং ১ কোটি কর্মসংস্থানের এক উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন, যার মূল ভিত্তি উৎপাদনমুখী অর্থনীতি। 

অন্যদিকে, ডা. শফিকুর রহমান ৪১ দফার সংস্কার প্রস্তাবনার মাধ্যমে একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর আমূল পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন। বিটিভিতে প্রচার হওয়া দুই শীর্ষ নেতার নীতি-নির্ধারণী বক্তব্যের চুলচেরা বিশ্লেষণ এবং তাঁদের বিপরীতমুখী অথচ দূরদর্শী উন্নয়ন দর্শন কীভাবে ভঙ্গুর অর্থনীতি ও ভেঙে পড়া রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে, তা নিয়েই সাজানো হয়েছে এই বিশেষ প্রতিবেদন।

তারেক রহমানের অর্থনৈতিক রোডম্যাপ
টেকসই প্রবৃদ্ধি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন

তারেক রহমানের উৎপাদনমুখী অর্থনৈতিক রোডম্যাপ ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে দেওয়ার কৌশল। ব্যাপক কর্মসংস্থান ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতের মাধ্যমে ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠনে এটি একটি সুদূরপ্রসারী এবং উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা  বলছেন বিশ্লেষকরা।

কর্মসংস্থান ও তারুণ্যের শক্তি: তারেক রহমানের রোডম্যাপের প্রধান স্তম্ভ হলো তরুণ প্রজন্ম। তিনি আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। এর আওতায় ফ্রিল্যান্সিং ও আইটি সেক্টরকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রতিটি ইউনিয়নে হাই-স্পিড ইন্টারনেট ও ডিজিটাল সেন্টার স্থাপনের কথা বলা হয়েছে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে সরাসরি বিশ্ববাজারের সাথে যুক্ত করবে। 

কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন: কৃষিকে শিল্পের মর্যাদা দিয়ে তারেক রহমান এগ্রিকালচার কার্ড প্রবর্তনের প্রস্তাব করেছেন। এর মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকরা সার, বীজ ও ঋণের সরাসরি সুবিধা পাবেন। শস্য বিমা এবং উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ক্রপ প্রাইস সাপোর্ট ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনাটি বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী, যা গ্রামীণ দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়ক হবে। 

সুশাসন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি: বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে তারেক রহমান একটি স্বাধীন অর্থনৈতিক সংষ্কার কমিশন গঠনের পতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বারবার জোর দিচ্ছেন যে, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপমুক্ত ব্যাংকিং খাত এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে  জিরো টলারেন্স নীতি ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। এছাড়া সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ  (এফডিআই) বৃদ্ধিতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন ও ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, তারেক রহমানের এই রূপরেখা জনকল্যাণ ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতির মেলবন্ধন। তবে ফ্যামিলি কার্ড ও কর্মসংস্থান লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মেধাভিত্তিক প্রশাসন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাই হবে প্রধান চ্যালেঞ্জ, যা সফল হলে অর্থনীতি ১ ট্রিলিয়নে পৌঁছাবে।

তারেক রহমানের কর্মসংস্থান রোডম্যাপ 
বেকারত্ব দূরীকরণ ও তারুণ্যনির্ভর অর্থনীতি

বাংলাদেশের বর্তমান জনমিতিক লভ্যাংশ বা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড কে কাজে লাগিয়ে একটি উৎপাদনশীল অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট কর্মসংস্থান রোডম্যাপ পেশ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা এবং শিক্ষিত বেকারদের জন্য বেকারত্ব ভাতার পরিবর্তে কাজের সুযোগ তৈরি করা।

আইটি ও ফ্রিল্যান্সিংয়ে বৈপ্লবিক পরিবর্তন
তারেক রহমানের রোডম্যাপে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি খাত। তিনি প্রতিটি ইউনিয়নে উচ্চগতির ইন্টারনেট নিশ্চিত করে স্মার্ট সোর্সিং হাব তৈরির প্রস্তাব করেছেন। এর মাধ্যমে তরুণরা ঘরে বসেই বিশ্ববাজারে ফ্রিল্যান্সিং করার সুযোগ পাবে। আউটসোর্সিং খাতকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি ও প্রণোদনা দেওয়ার মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের নতুন পথ উন্মোচনের কথা বলা হয়েছে তার এই পরিকল্পনায়।

এসএমই ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) বিকাশে তারেক রহমান সহজ শর্তে ঋণ এবং স্টার্টআপ ফাণ্ড গঠনের ওপর জোর দিয়েছেন। বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষায়িত ঋণ সুবিধা এবং কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়নের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরির কথা বলা হয়েছে। তার মতে, কেবল সরকারি চাকরি নয়, বরং তরুণদের চাকরি দাতা বা উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলাই হবে আগামীর অর্থনৈতিক ভিত্তি।

কৃষি ও শিল্পায়ন সমন্বয়
কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প স্থাপনের মাধ্যমে গ্রামীণ তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরির পরিকল্পনাটি বেশ বাস্তবসম্মত। এছাড়া পোশাক খাতের বাইরে চামড়া, ঔষধ ও সমুদ্র অর্থনীতি খাতে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের এই রোডম্যাপ বাস্তবায়নে প্রয়োজন ব্যাপক প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা।
 আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে যদি ওয়ান স্টপ সার্ভিস কার্যকর করা যায়, তবে এই এক কোটি কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অসম্ভব নয়। এটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ কেবল একটি শ্রমনির্ভর দেশ নয়, বরং একটি প্রযুক্তি ও জ্ঞাননির্ভর উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে।

রাষ্ট্রীয় সংস্কারে ডা. শফিকুর রহমানের প্রস্তাব
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ খাতে রাষ্ট্রীয় কাঠামোগত সংস্কারের প্রস্তাব পেশ করেন, যা পরবর্তীতে ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে ৪১ দফা হিসেবে পূর্ণতা পায়। এই সংস্কার প্রস্তাব কেবল একটি দলের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা নয়, বরং ৫ আগস্ট পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপরেখা হিসেবে আলোচিত হচ্ছে ।

সংস্কারের মূল স্তম্ভসমূহ
শফিকুর রহমানের প্রস্তাবনা বিচার বিভাগে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ ও প্রশাসনে স্বচ্ছতা আনতে সহায়ক। 
উচ্চ আদালতে স্বাধীন নিয়োগ এবং আনুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে তিনি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ইনসাফভিত্তিক শাসনকাঠামো গড়তে চান। 

জনপ্রশাসন ও সুশাসন
শফিকুর রহমানের প্রশাসনিক সংস্কার প্রস্তাব মূলত মেধাভিত্তিক আমলাতন্ত্র ও দুর্নীতিমুক্ত শাসনব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি। চাকরির বয়সসীমা বৃদ্ধি ও নিয়োগে দলীয় আনুগত্যের বদলে যোগ্যতাকে প্রাধান্য দেওয়া তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান ও স্বচ্ছ প্রশাসন নিশ্চিতে সহায়ক হবে। 

বাস্তবসম্মত বিশ্লেষণ ও জননিরাপত্তা
ডা. শফিকুর রহমানের সংস্কার পরিকল্পনায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ করে পুলিশ বাহিনীকে একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের মাধ্যমে ঢেলে সাজানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে । এর লক্ষ্য হলো বাহিনীকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করে জনগণের সেবকে পরিণত করা । শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতেও তিনি পর্যায়ক্রমে অবৈতনিক সেবা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছেন ।

বিশ্লেষকদের মতে, ডা. শফিকুর রহমানের এই প্রস্তাবগুলো কাঠামোগত পরিবর্তনের জন্য শক্তিশালী ভিত্তিস্বরূপ। তবে এর কার্যকারিতা নির্ভর করবে জাতীয় ঐকমত্য এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর । প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে ইনসাফ বা ন্যায়বিচারভিত্তিক সমাজ গঠনের যে ডাক তিনি দিয়েছেন, তা দেশের স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক এবং সময়োপযোগী।

ইনসাফ ও নেতৃত্বের আমূল পরিবর্তন
বাংলাদেশ এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। গত ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশের রাজনীতিতে যে গুণগত পরিবর্তনের দাবি উঠেছে, তাকে ধারণ করেই ডা. শফিকুর রহমান ইনসাফভিত্তিক সমাজ ও নেতৃত্বের পরিবর্তনের ওপর জোর দিচ্ছেন। তাঁর মতে, গত ১৫ বছরের অপশাসন ও দুর্নীতির মূলোৎপাটন করতে হলে কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন যথেষ্ট নয়, বরং রাষ্ট্র পরিচালনার দর্শনেই আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন। 

ইনসাফ বা ন্যায়বিচারের রূপরেখা
শফিকুর রহমানের ইনসাফ-দর্শন মূলত স্বাধীন বিচারব্যবস্থা ও সুশাসনের প্রতিশ্রুতি। নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ এবং পাচারকৃত অর্থ ফেরতের মাধ্যমে তিনি একটি দুর্নীতিমুক্ত, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডহীন ও অর্থনৈতিকভাবে স্থিতিশীল রাষ্ট্র গড়তে চান।

নেতৃত্বের আমূল পরিবর্তন
নেতৃত্বের ক্ষেত্রে তিনি বংশপরম্পরা বা পরিবারতন্ত্রের রাজনীতির বদলে মেধা ও দেশপ্রেম কে প্রাধান্য দেওয়ার কথা বলেছেন। তাঁর ভাষায়, নেতৃত্ব হবে জনগণের চৌকিদার বা সেবক শাসক নয়। জামায়াতের ৪১ দফা ইশতেহারে একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী থাকার বিধান এবং সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির প্রস্তাব করা হয়েছে, যা নেতৃত্বের একচেটিয়া ক্ষমতা হ্রাসে সহায়ক হতে পারে। 

বিশ্লেষকরা বলছেন, ডা. শফিকুর রহমানের ইনসাফ-দর্শন তরুণ প্রজন্মের বৈষম্যবিরোধী চেতনারই প্রতিফলন। তবে প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই মূল চ্যালেঞ্জ, যার সফল বাস্তবায়নই গড়বে আধুনিক বৈষম্যহীন বাংলাদেশ। 

সর্বশেষ এটা বলা যায় যে, বিএনপি ও জামায়াতের এই পৃথক রোডম্যাপ কেবল নির্বাচনী কৌশল নয়, বরং রাষ্ট্র মেরামতের দুটি ভিন্নমুখী দর্শন। তারেক রহমানের উৎপাদনমুখী অর্থনীতির স্বপ্ন আর ডা. শফিকুর রহমানের ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের অঙ্গীকার উভয়ই আগামীর নতুন বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে। তবে এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনাগুলোর সাফল্য নির্ভর করবে কেবল ক্ষমতার পরিবর্তনে নয়, বরং রাজনৈতিক সততা ও জনগণের জীবনমান উন্নয়নের প্রকৃত সদিচ্ছার ওপর। ৫ আগস্টের চেতনার প্রতিফলন ঘটাতে হলে এই রূপরেখাগুলোর বাস্তবায়নই হবে আগামী দিনের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

Advertisement
এদিনের সব

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. সাইদুল ইসলাম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক: খন্দকার মোজাম্মেল হক

শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস ২৮/বি, টয়েনলি সার্কুলার রোড, মতিঝিল-১০০০, ঢাকা থেকে মুদ্রিত

যোগাযোগ করুন

টাওয়ার-এ (২য় তলা), হাউস-১৩, রোড-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

০২-২২৬৬০৩৩৫২

০১৮৯৭-৬৬৪৬৫৬

ইমেইল : dailyadinbd@gmail.com

আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

facebookyoutubetiktok

© স্বত্ব ২০২৬, দৈনিক এদিন

Design & Developed byBongosoft Ltd.