বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসরের ফাইনালে চট্টগ্রাম পাত্তাই পেল না রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের উল্লাসে মেতে ওঠে নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন দলটি।
মিরপুর স্টেডিয়ামে বিপিএলের ১২তম আসরের ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করতে নামা রাজশাহী তানজিদ হাসান তামিমের রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরিতে ভর করে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৪ রান করে।
১৭৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ইনিংসের শুরু থেকে উইকেটে হারাতে থাকা চট্টগ্রাম; শেষ পর্যন্ত ১৭.৫ ওভারে ১১১ রানে অলআউট হয়। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন চট্টগ্রামের হয়ে খেলা পাকিস্তানি ওপেনার মিরাজ বেগ।
আরেক পাকিস্তানি ব্যাটার আসিফ আলি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১ রান করেন। ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চট্টগ্রামের ৭ জন ব্যাটসম্যান দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে পারেননি। যে কারণে চট্টগ্রাম বিপিএলে তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠেও শিরোপার লড়াইয়ে হেরে যায়।
রাজশাহীর হয়ে লংকান তারকা পেসার বিনু ফার্নান্দো ৩ ওভার বল করে মাত্র ৯ রান দিয়ে তুলে নেন ৪ উইকেট। হাসান মুরাদ ৪ ওভারে ১৫ রানে ৩ উইকেট নেন। ২ উইকেট নেন জেমস নিশাম।
শুক্রবার বিপিএল ফাইনালে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে রাজশাহী। ওপেনিং জুটিতে দুই ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান ও তানজিদ হাসান তামিম ১০.২ বলে ৮৩ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। ৩০ বলে দুই চার আর এক ছক্কায় ৩০ রান করে সাজঘরে ফিরেন পাকিস্তানি ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান।
দলকে শুরু থেকেই এগিয়ে নেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তিনি ৬১ বল খেলে ৭টি ছক্কা ও ৬টি চারের সাহায্যে বিপিএল ফাইনালে সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন। তবে বিপিএলে এটা তার তৃতীয় সেঞ্চুরি। বিপিএলের ফাইনালে তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরির স্বাদ পেলেন তানজিদ। এর আগে ফাইনালে সেঞ্চুরি করেছিলেন ক্রিস গেইল ও তামিম ইকবাল।
তার ইনিংসটা আর লম্বা করতে পারেননি তানজিদ। ১৮.৫ ওভারে দলীয় ১৬৩ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন এই ওপেনার। এরপর শেষ ৭ বলে ১১ রান সংগ্রহ করতে রাজশাহী হারায় অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর উইকেট।
রাজশাহীর হয়ে ১০০ রান করেন তানজিদ। ৩০ রান করেন শাহিবজাদা ফারহান। ১৫ বলে ২৪ রান করেন কেন উইলিয়ামস। ইনিংসের শেষ দিকে ব্যাট করতে নেমে ৭ বলে ১১ রান করে ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
চট্টগ্রামের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স: ২০ ওভারে ১৭৪/৪ (তানজিদ ১০০, ফারহান ৩০, উইলিয়ামসন ২৪; মুকিদুল ২/২০, শরীফুল ২/৩৩)।
চট্টগ্রাম রয়্যালস: ১৭.৫ ওভারে ১১১ (মির্জা ৩৯, আসিফ ২১, নেওয়াজ ১১; বিনুরা ৪/৯, মুরাদ ৩/১৫, নিশাম ২/২৪)।
ফল: রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ৬৩ রানে জয়ী।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









