কিলিয়ান এমবাপের দুর্দান্ত জোড়া গোলে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। নিউজার্সিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে সুইডেনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ২০১৮ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা দাপটের সঙ্গে পরের রাউন্ডে উঠেছে। এই ম্যাচে দুই গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে ছয় গোল নিয়ে লিওনেল মেসির পাশে উঠে এসেছেন এমবাপে।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে ফ্রান্স। তবে প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না তারা। এমবাপের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়, দুটি শট লাগে গোলপোস্টে, আর কয়েকটি প্রচেষ্টা অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
অবশেষে প্রথমার্ধের ৪৫তম মিনিটে জট খুলে দেন এমবাপে। বক্সের বাঁ দিক থেকে চমৎকার ড্রিবলিংয়ে ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে কাছ থেকে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান তিনি। গোলের পর সম্প্রতি মাকে হারানো ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশমকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দেন এমবাপে। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ফ্রান্স।
দ্বিতীয়ার্ধেও আধিপত্য ধরে রাখে ফরাসিরা। ৫৩তম মি নিটে মাইকেল অলিসের নিখুঁত অ্যাসিস্ট থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ব্র্যাডলি বারকোলা।
এরপর ৭৪তম মিনিটে আবারও গোল করেন এমবাপে। অলিসের তৈরি করা আক্রমণ থেকে বক্সের বাঁ প্রান্তে বল পেয়ে প্রথম গোলের মতোই দুর্দান্ত শটে জাল খুঁজে নেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। এটি ছিল বিশ্বকাপে এমবাপের ১৮তম গোল। সর্বকালের বিশ্বকাপ সর্বোচ্চ গোলদাতা লিওনেল মেসির (১৯) থেকে এখন তিনি মাত্র এক গোল দূরে।
এই ম্যাচে দুটি অ্যাসিস্ট করে ফ্রান্সের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মাইকেল অলিস। অন্যদিকে সুইডেনের গোলরক্ষক জেটারস্ট্রম একের পর এক দুর্দান্ত সেভ না করলে ব্যবধান আরও বড় হতে পারত।
পুরো ম্যাচে ফ্রান্স ২৫টি শট নেয়, যার মধ্যে ১২টি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে সুইডেন নিতে পারে মাত্র ৮টি শট। জেটারস্ট্রম ৯টি সেভ করে দলকে বড় ব্যবধানে হার থেকে রক্ষা করেন।
শেষ ষোলোতে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ প্যারাগুয়ে, যারা আগের রাউন্ডে জার্মানিকে বিদায় করেছে। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে শিরোপা জয়ের পথে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল ফ্রান্স। এবারও দুই দলের লড়াই ঘিরে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









