বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের আতুড়ঘর বিকেএসপি। কিন্তু কয়েকজন খেলোয়াড় নাম পরিবর্তন করে জুনিয়র ডিভিশনে অন্য ক্লাবের হয়ে খেললে সেই বিকেএসপিকে বছর দুয়েক আগে ফুটবল থেকে নিষিদ্ধ করেছিল বাফুফে। তবে প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকেএসপি জড়িত নয় এমন আপিল করলে শাস্তি প্রত্যাহার করা হয়। আর এবার দ্বিতীয় বিভাগ ফুটবলে অংশ নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বিকেএসপি’ই।
১২ ম্যাচে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে বিকেএসপির শিরোপা নিশ্চিত হয়েছে। পূর্বাচল কিংবা নিকটবর্তী দলের কারও ২৯ পয়েন্ট হওয়া সম্ভব নয়। তাই এক ম্যাচ হাতে রেখেই বিকেএসপির দ্বিতীয় বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
বিকেএসপি এই দলের হেড কোচ কনক জুম্মো বলেন, ‘অ-১৭ জাতীয় দলের ক্যাম্পে আমাদের ২০ জন খেলোয়াড় রয়েছে। তাই লিগের মাঝপথে অনেক খেলোয়াড় বদল করতে হয়েছে। তুলনামূলক অনভিজ্ঞ ফুটবলার দিয়ে আমরা গত আট ম্যাচ খেললেও মাত্র দুই ম্যাচ ড্র করেছি।’
বিকেএসপি এই দলের হেড কোচ প্রথমে ছিলেন ইমরুল হাসান। অ-১৭ দলের ক্যাম্প শুরু হওয়ায় তিনি বাফুফের ক্যাম্পে যোগ দেন। তখন কনক হেড কোচের দায়িত্ব পালন করেন। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক বিপ্লব ভট্টাচার্য্য সম্প্রতি বিকেএসপিতে গোলরক্ষক কোচ হিসেবে যোগ দিয়েছেন। যোগ দেয়ার পর এই সাফল্য নিয়ে বলেন, ‘বিকেএসপি থেকে ভালো মানের গোলরক্ষক তৈরি করা এবং দেশকে দীর্ঘদিন সার্ভিস দেবে এটাই আমার লক্ষ্য।’
চ্যাম্পিয়ন এই দলে কেন্দ্রের পাশাপাশি আঞ্চলিক বিকেএসপির খেলোয়াড়ও রয়েছে। দ্বিতীয় বিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্ট ঢাকায় কমলাপুর স্টেডিয়ামে হয়। খেলার আগের দিন বিকেএসপির ফুটবলাররা পল্টনের হোটেলে অবস্থান করে। বিকেএসপি কর্তৃপক্ষ দ্বিতীয় বিভাগ ফুটবল লিগে গুরুত্ব দেয়ায় কোচিং স্টাফরা ফলাফল ভালো হওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে মনে করেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









