মাদ্রিদ ডার্বিতে বিতর্ক যেন অবিচ্ছেদ্য অংশ। গতকাল রিয়াদ এয়ার মেত্রোপলিতানোতে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ ও রিয়াল মাদ্রিদের ম্যাচও শেষ হয়েছে বিতর্কের মধ্য দিয়ে। বিশেষ করে ম্যাচের দায়িত্বে থাকা রেফারিদের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রিয়াল কোচ হোসে মরিনিও।
রেফারিদের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল না—এমন দাবি তুলে তা বোঝাতে প্রস্তুতি নিয়েই সংবাদ সম্মেলনে আসেন মরিনিও। লাল কার্ড পাওয়ার যোগ্য দুটি ট্যাকলের ছবি প্রিন্ট করে নিয়ে আসেন তিনি।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে পেনাল্টি পায় অ্যাতলেটিকো। ওই ঘটনায় রিয়ালের ডিফেন্ডার হুইসেনকে লাল কার্ড দেখান রেফারি। তবে প্রথমার্ধের দুটি ঘটনায় রিয়ালও লাল কার্ডের দাবি তুলেছিল। জুড বেলিংহামের ওপর ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর চ্যালেঞ্জ এবং ফেদেরিকো ভালভার্দের গোড়ালিতে কাং-ইন লির ট্যাকল—এই দুটি ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মরিনিও। তার মতে, অন্তত একটি ঘটনায় লাল কার্ড দেখানোর দাবি ছিল।
রোমেরো ও লির ট্যাকলের দুটি ছবি দেখিয়ে মরিনিও বলেন, ‘আমরা সংবাদ সম্মেলন বাদ দিতে পারি, কারণ এই ম্যাচের মূল কাহিনী এখানেই দেখা যাচ্ছে। এই দুটি পরিষ্কার লাল কার্ড পাওয়ার মতো।’ এরপর তিনি বলেন, ‘কল্পনা করুন তো, এটা যদি ৯ জনের বিপরীতে ১১ জনের খেলা হতো।’
রেফারি ওরতিজ আরিয়াসকে নিয়েও কথা বলেছেন মরিনিও। তিনি বলেন, ‘৪১ বছর বয়সী রেফারি, যার কোনো আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা নেই। আমি খুব বেশিদূর যেতে চাই না। বলছিও না যে এটা পূর্বপরিকল্পিত। কিন্তু রেফারিং কমিটি একটি ভুল করেছে।’
শুধু মরিনিওই নন, রিয়ালের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের ম্যাচ প্রতিবেদন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টেও রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘ভয়াবহ রেফারিং পারফরম্যান্স ডার্বি নির্ধারণ করল।’ রেফারি আরিয়াসকে ‘অত্যন্ত জঘন্য’ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ডের তারকা জুড বেলিংহামকেও অফিসিয়ালদের উদ্দেশে চিৎকার করতে দেখা যায়। ২-১ গোলের হারে সাত ম্যাচ শেষে পয়েন্ট তালিকায় চারে নেমে গেছে রিয়াল। দ্বিতীয় স্থানে থাকা অ্যাতলেটিকোর চেয়ে এক পয়েন্ট পিছিয়ে তারা। শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার সঙ্গে রিয়ালের ব্যবধান ছয় পয়েন্ট।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









