ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা তারকা লিওনেল মেসির প্রতি নিজের মুগ্ধতার কথা আবারও প্রকাশ করেছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক ও বায়ার্ন মিউনিখের স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন। মেসির বাঁ পায়ের দক্ষতা নিজের মধ্যে থাকলে প্রতিপক্ষের জন্য তাকে থামানো প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠত বলে মনে করেন এই ইংলিশ ফরোয়ার্ড।
সম্প্রতি ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের পর নিজের ফুটবলীয় দক্ষতা ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নিয়ে কথা বলেছেন কেইন। এ সময় তাকে প্রশ্ন করা হয়, ফুটবল ইতিহাসের অন্য কোনো ব্যালন ডি’অরজয়ী খেলোয়াড়ের কোন বিশেষ দক্ষতা তিনি নিজের মধ্যে পেতে চান। উত্তরে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসির বাঁ পায়ের কথা উল্লেখ করেন তিনি।
হাসিমুখে হ্যারি কেইন বলেন, ‘‘এই মুহূর্তে যদি আমার মেসির বাঁ পা থাকত, তাহলে আমাকে থামানো প্রায় অসম্ভব হয়ে যেত!’’
মেসির বাঁ পায়ের জাদুকরি দক্ষতা ফুটবল বিশ্বে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচিত। ড্রিবলিং, গোল করা কিংবা প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ ভেঙে আক্রমণ তৈরি—সব ক্ষেত্রেই এই পায়ের অসাধারণ ব্যবহার করে আসছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
অন্যদিকে, নিজের বর্তমান পারফরম্যান্স নিয়েও সন্তুষ্ট কেইন। তার মতে, ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে তিনি নিজেকে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি পরিপূর্ণ খেলোয়াড় মনে করছেন। শারীরিক ও মানসিক—দুই দিক থেকেই নিজের সামর্থ্যের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
তবে এখানেই থেমে থাকতে চান না ইংল্যান্ডের এই তারকা। নিজের দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার পাশাপাশি প্রতিনিয়ত উন্নতি করতে চান তিনি।
হ্যারি কেইন বলেন, ‘‘অবশ্যই, উন্নতির অনেক জায়গা রয়েছে। অবসরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগ পর্যন্ত নিজের খেলার বিভিন্ন দিক উন্নত করার চেষ্টা চালিয়ে যাব।’’
নিজের খেলার বিশেষ দিকগুলো তুলে ধরে তিনি আরও জানান, মাঠে পরিস্থিতি বোঝা, ফাঁকা জায়গা খুঁজে নেওয়া, সঠিক অবস্থানে থাকা এবং প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের নিজেদের জায়গা থেকে সরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি আগের চেয়ে অনেক বেশি দক্ষ হয়েছেন। গোল করার ক্ষমতাও এখন নিজের সেরা পর্যায়ে রয়েছে বলে মনে করেন এই স্ট্রাইকার।
হ্যারি কেইনের ভাষায়, অনুশীলনেও নিজের উন্নতির বিষয়টি বুঝতে পারেন তিনি। বিশেষ করে গোল করার ধরন ও মাঠে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা তাকে আরও বহুমুখী খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তুলেছে।
ব্যক্তিগত সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছেও নতুন কিছু শেখার আগ্রহ হারাননি কেইন। বরং নিজের খেলাকে আরও উন্নত করার তাগিদই তাকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দিচ্ছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









