৮ উইকেটে জয় পাওয়া প্রথম ওয়ানডের একাদশ থেকে কোনো পরিবর্তন আনেনি বাংলাদেশ। তাই এই ম্যাচেও বাইরে থাকছেন তানভির ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, সৌম্য সরকার ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন।
আইসিসি ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের ১০ নম্বর দল হয়েও ৪ নম্বরে থাকা পাকিস্তানকে প্রথম ম্যাচে ব্যাটে-বলে যেভাবে বিধ্বস্ত করেছে বাংলাদেশ, গোটা দলের আত্মবিশ্বাস অনেক উঁচুতে পৌঁছে যাওয়ার কথা। পরের দুই ম্যাচের যে কোনো একটি ম্যাচ জিততে পারলে সিরিজ জয়ের পাশাপাশি র্যাঙ্কিংয়েও এক ধাপ এগোতে পারবে বাংলাদেশ।
আগামী বছরের বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা পেতে র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতির বিকল্প নেই বাংলাদেশের। সেই অভিযানের শুরুটা ভালো করতে পারার সন্তুষ্টি সামনে পথে তাকিয়ে প্রেরণা পাচ্ছেন অধিনায়ক মিরাজ। তাদের সামনে এবার ধারাবাহিকতা ধরে রাখার পালা।
পেসার বাড়াল পাকিস্তান-
প্রথম ম্যাচে একদমই লড়াই করতে না পারা পাকিস্তান শক্তি বাড়াল পেস বোলিংয়ে। লেগ স্পিনার আবরার আহমেদের জায়গায় একাদশে ফেরাল গতিময় পেসার হারিস রউফকে।
প্রথম ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে প্রায় একাই ধসিয়ে দেন বাংলাদেশের গতিময় পেসার নাহিদ রানা। সে কারণেই হয়তো রউফকে ফেরাল সফরকারীরা।
সেই ম্যাচে পাকিস্তান হারে মূলত ব্যাটিংয়ে নিদারুণ ব্যর্থতায়। তবে টিকে গেছেন ব্যাটসম্যানদের সবাই। খেলানোর মতো খুব বেশি বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যানদের তাদের নেই-ও। আছেন কেবল কিপার-ব্যাটার মোহাম্মাদ গাজি ঘোরি। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ১৭ ম্যাচ খেলে তার গড় ২০.৬০, স্ট্রাইক রেট ৭৯.৫৩। তার দলে জায়গা পাওয়া নিয়েই পাকিস্তান ক্রিকেটে প্রশ্নের শেষ নেই। তিনি জায়গা পাননি একাদশে।
বাংলাদেশ একাদশ: মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, লিটন কুমার দাস, আফিফ হোসেন, রিশাদ হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা।
পাকিস্তান দল: শাহিন শাহ আফ্রিদি (অধিনায়ক), আব্দুল সামাদ, হারিস রউফ, ফাহিম আশরাফ, হুসাইন তালাত, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মাদ রিজওয়ান, মোহাম্মাদ ওয়াসিম, সাহিবজাদা ফারহান, সালমান আলি আগা, শামিল হুসাইন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









