সময় ও বয়স তার কাছে নিছক এক সংখ্যা মাত্র। ৪৩ বছর বয়সেও একই ধার, চেনা সুইং ও উইকেটের ক্ষুধা। ল্যাঙ্কাশায়ারের লাল বলের অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক ম্যাচেই দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৫ উইকেট নিয়ে আবারও নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করলেন জেমস অ্যান্ডারসন।
প্রথম ম্যাচেই তিনি নর্থ্যাম্পটনশায়ারের ব্যাটিং লাইনআপ এলোমেলো করে দেন। ৬৪ রানে ৫ উইকেট নিয়ে প্রতিপক্ষকে ৪১-৫ অবস্থায় ফেলে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত দিন শেষে নর্থ্যাম্পটনশায়ারের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৯ উইকেটে ২১৫।
অ্যান্ডারসনের স্পেলের ভয়াবহতা বোঝা যায় এই পরিসংখ্যানে- মাত্র ২২ বলেই ২২ রানে ৪ উইকেট তুলে নেন তিনি। এতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় ল্যাঙ্কাশায়ার। প্রতিপক্ষ তখনও ১৬৯ রানে পিছিয়ে, ফলো-অন এড়ানোর লড়াইয়ে ব্যস্ত।
৪৩ বছর বয়সে অধিনায়কত্ব পাওয়ায় অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। কিন্তু মাঠেই তার জবাব দিলেন অ্যান্ডারসন। এর আগে বেন স্যান্ডারসন ৫-৭৯ নিয়ে ল্যাঙ্কাশায়ারকে ৩৮৪ রানে থামালেও, বোলিংয়ে এসে অভিজ্ঞতার শক্তিটাই দেখালেন অ্যান্ডারসন।
এই ম্যাচে আরেকটি বিষয় স্পষ্ট। অভিজ্ঞতার কোনো বিকল্প নেই। ৩৭ বছর বয়সী স্যান্ডারসন ও ৪৩ বছর বয়সী অ্যান্ডারসন দুজনই দেখালেন, বয়স বাড়লেও দক্ষতা ও নিয়ন্ত্রণই আসল শক্তি।
ল্যাঙ্কাশায়ারের এখন দরকার আর মাত্র ১টি উইকেট, তাহলেই তারা ফলো-অন চাপিয়ে দিতে পারবে। অধিনায়ক হিসেবে অ্যান্ডারসনের স্বপ্নের সূচনা আরও উজ্জ্বল হতে পারে।
ইংল্যান্ডের হয়ে ৭০৪ টেস্ট উইকেট নেওয়া এই কিংবদন্তি আবারও প্রমাণ করলেন তার ক্ষুধা, ফিটনেস আর দক্ষতা এখনও আগের মতোই অটুট।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









