‘আমাদের চেয়ে ভালো দল আর নেই’- আগের দিন পিএসজি কোচের আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন দেখা গেল দলের পারফরম্যান্সে। শুরুতে পিছিয়ে পড়ার ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়াল তারা। বায়ার্ন মিউনিখও কম গেল না। তাতে অবিশ্বাস্য উত্তেজনার অসাধারণ এক লড়াইয়ের সাক্ষী হলো চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। শেষ পর্যন্ত বিজয়ীর বেশে মাঠ ছাড়ল পিএসজি।
প্যারিসে মঙ্গলবার রাতে সেমি-ফাইনালের প্রথম লেগে ৯ গোলের পাগলাটে লড়াইয়ে ৫-৪ ব্যবধানে জিতেছে শিরোপাধারীরা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালের এক লেগে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড এটি।
২০২১ সালের এপ্রিলের পর এই প্রথম ইউরোপ সেরার মঞ্চে বায়ার্নকে হারাতে পারল পিএসজি। দুই দলের টানা পাঁচ ম্যাচে জয়হীন ছিল ফরাসি ক্লাবটি।
প্রথমার্ধে গোল হয়েছে পাঁচটি, দ্বিতীয়ার্ধে চারটি। একপর্যায়ে ৫-২ গোলে পিছিয়ে পড়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে এক গোলের ব্যবধানে হারায়।
হ্যারি কেইনের গোলে পিছিয়ে পড়া পিএসজিকে সমতায় ফেরান খাভিচা কাভারাৎসখেলিয়া। এরপর জোয়াও নেভেস এগিয়ে নেন স্বাগতিকদের। সেই গোল মাইকেল ওলিসে শোধ করার পর প্রথমার্ধেই উসমান দেম্বেলের গোলে আবার লিড পায় লুইস এনরিকের দল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ম্যাচে নিজেদের দ্বিতীয় গোল করে দলকে ৫-২ ব্যবধানে এগিয়ে নেন কাভারাৎসখেলিয়া ও দেম্বেলে। পরে দুটি গোল শোধ করেন দায়ত উপামেকানো ও লুইস দিয়াস।
পুরো ম্যাচে বল দখলে একটু পিছিয়ে থাকা পিএসজি গোলের জন্য ১২টি শট নিয়ে লক্ষ্যে রাখতে পারে পাঁচটি। বায়ার্নের ১০ শটের আটটি লক্ষ্যে ছিল।
ম্যাচে কোনো সেভ করতে পারেননি বায়ার্ন গোলরক্ষক মানুয়েল নয়ার। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সবশেষ ১৬ মৌসুমে তিনিই প্রথম গোলরক্ষক, যিনি নকআউট পর্বের কোনো ম্যাচে একটিও সেভ না করে পাঁচ বা এর বেশি গোল হজম করলেন।
এবারের লড়াইয়ে শুরু থেকে আক্রমণ পাল্টা-আক্রমণ চললেও শুরুর দিকে উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না কেউ। সপ্তদশ মিনিটে সফল স্পট কিকে বায়ার্নকে এগিয়ে নেন কেইন। এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা ছয় ম্যাচে গোল করলেন কেইন। আসরে ১৩ ম্যাচে ইংলিশ স্ট্রাইকারের গোল হলো ১৩টি।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









