ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী শহীদ সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যার বিচার ও তাঁর নামে হলের নামকরণসহ চার দফা দাবি বাস্তবায়নে উপাচার্যের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেছে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি।
রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে উপাচার্যের নিকট এ স্মারকলিপি প্রদান করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—শহীদ সাজিদ আব্দুল্লাহর হত্যাকারী বা হত্যাকারীদের দ্রুত চিহ্নিত করে বিচার নিশ্চিত করা, শহীদ সাজিদ আব্দুল্লাহর নামে হলের নামকরণ করা, প্রতিশ্রুত আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রদান নিশ্চিত করা এবং পূর্বপ্রতিশ্রুত দাবিগুলো অনতিবিলম্বে বাস্তবায়ন করা।
স্মারকলিপিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, “শহীদ সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের এক বছরেরও বেশি সময় অতিবাহিত হলেও দৃশ্যমান কোনো বিচারিক অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়নি। একই সঙ্গে তাঁর নামে হলের নামকরণের লিখিত প্রতিশ্রুতি থাকা সত্ত্বেও সর্বশেষ সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তা বাস্তবায়িত হয়নি।”
তাঁরা আরও বলেন, “আমাদের প্রধান দাবি হত্যার তদন্ত ও বিচার। তবে হলের নামকরণের বিষয়ে আমরা বিশেষ জোর দিয়েছিলাম। পূর্বে প্রশাসন কথা দিলেও এখন এ বিষয়ে অনীহা প্রকাশ করায় আমরা হতাশ হয়েছি। অবশ্য উপাচার্য মহোদয় জানিয়েছেন যে বিষয়টি তাঁর বিবেচনায় রইল।”
স্মারকলিপি গ্রহণ করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বলেন, “আমি তোমাদের অনুভূতি ও কষ্ট বুঝি। কিছুক্ষণ আগেই তদন্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদেরকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের নির্দেশ দিয়েছি। তদন্তের স্বার্থে যদি কোনো শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা বা কর্মচারীর সহযোগিতা প্রয়োজন হয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেই সহযোগিতা দেওয়া হবে। এ বিষয়ে আমি ইতোমধ্যেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “আমি যেহেতু আগে কোনো প্রতিশ্রুতি দিইনি, তাই নতুন করে এমন কোনো প্রতিশ্রুতিও দেব না, যা বাস্তবায়ন করতে পারব না। আমি শুধু এটুকু বলতে পারি, সাজিদ আব্দুল্লাহর মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা যেন উদ্ঘাটিত হয়, সে জন্য আমি আন্তরিকভাবে কাজ করছি। ইনশাআল্লাহ, সত্য বের করে আনার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









