কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ১৫ কোটি টাকা মূল্যের ৫ লাখ পিস ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গাকে আটক করেছে র্যাব-১৫। আটকরা আন্তর্জাতিক মাদক পাচারকারী চক্রের সদস্য বলে জানিয়েছে র্যাব।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভোরে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের নাফ নদীর মন্ডলপাড়া সীমান্ত এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বৃহস্পতিবার বিকেলে র্যাব ১৫-এর কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাব ১৫-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
আটকরা হলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বুচিডং জেলার মংডু থানার হায়েংখালী গ্রামের মৃত নূর মোহাম্মদ সায়েদের ছেলে মো. সাজেদ (৩২) এবং একই এলাকার মো. আব্দুল হামিদের ছেলে এনামুল হাসান (৩৩)।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব জানায়, বৃহস্পতিবার ভোর রাতে নাফ নদীর মন্ডলপাড়া সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক বাংলাদেশে পাচার করা হবে এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১৫ এর একটি বিশেষ দল সেখানে অবস্থান নেয়।
একপর্যায়ে নাফ নদীর শূন্যরেখা অতিক্রম করে মিয়ানমারের দিক থেকে আসা ৭ থেকে ৮ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে স্থানীয় এক ব্যক্তির জমিতে অবস্থান করতে দেখা যায়। র্যাব সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ধাওয়া দিয়ে দুইজনকে আটক করা হয়। তবে বাকিরা কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে দুটি বস্তার ভেতর থেকে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে র্যাব।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘‘আটক দুইজনসহ পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিরা সবাই মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিক এবং একটি আন্তর্জাতিক মাদক পাচারকারী চক্রের সদস্য। সীমান্তের এপারে মাদকের বড় চালান পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল দায়িত্ব।’’
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে টেকনাফ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি পালিয়ে যাওয়া চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









