ঝিনাইদহে মরমী কবি ও সাধক পাগলা কানাই-এর ১৩৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
রবিবার (১২ জুলাই) বিকালে সদর উপজেলার বেড়বাড়ি গ্রামে কবি পাগলা কানাই-এর সমাধিস্থলে মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়। পাগলা কানাই স্মৃতি সংরক্ষণ সংসদ এ আয়োজন করে।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পাগলা কানাই স্মৃতি সংরক্ষণ সংসদের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাসান। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক হাসান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সহ সভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নুসহ সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশীষ বিন হাছান বলেন, “দেশে বিদেশে লালন শাহ ও হাসন রাজা কে নিয়ে অনেক গবেষণা চলছে। পাগলা কানাইয়ের সংগীত, কবিতা ও জীবনদর্শন নিয়েও গবেষণা হতে পারে। পাগলা কানাই-এর স্মৃতি বিজড়িত সমাধি সংরক্ষণ ও তার সৃষ্টিকর্ম সংগ্রহের মাধ্যমে দেশের সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধি বেগবান হবে।”
প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন বলেন, “মরমী কবি পাগলা কানাই বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। তার সৃষ্টিকর্ম ও সংগীতের স্বতন্ত্র একটি ধারা রয়েছে। যার মধ্য দিয়ে তিনি ধর্মীয় রীতি, প্রথা ও চেতনার সঙ্গে মানুষের জীবনাচার ও সংস্কৃতির দারুণ মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন পাগলা কানাই। এসময় তিনি মরমী সাধক কবি পাগলা কানাই এর স্মৃতি সংরক্ষণে সরকারের নানা উদ্যোগ গ্রহণ করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









