গাজীপুরের কালীগঞ্জে নদী থেকে অবৈধভাবে ড্রেজারের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করে পাশের উর্বর কৃষিজমি ভরাটের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। একই সঙ্গে কৃষিজমির শ্রেণি পরিবর্তন এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলার উত্তর ভাদাত্তী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ঘোনপাড়া গ্রামের মৃত করিম মিয়ার ছেলে আবুল কালাম (৩৫) কোনো ধরনের সরকারি অনুমতি ছাড়াই নদীতে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করছিলেন। উত্তোলিত বালু পাশের কৃষিজমিতে ফেলে জমির শ্রেণি পরিবর্তনের কাজও চলছিল।
প্রশাসনের সূত্রে আরো জানা যায়, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে উর্বর কৃষিজমি নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য ও কৃষি উৎপাদনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে ঘটনাস্থলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫(১) ধারায় আবুল কালামকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। একই সঙ্গে একটি মামলার নিষ্পত্তি করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো কারাদণ্ড দেওয়া হয়নি।
অভিযানে বেঞ্চ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাহবুবুল ইসলাম।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা বলেন, “কৃষিজমি রক্ষা এবং অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও জমির শ্রেণি পরিবর্তনের মতো বেআইনি কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতেও নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









