চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ ও জবাই করে হত্যার অপরাধে আবুল হোসেন ফটিক (২৯) নামের এক যুবককে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার বেলা ১২টায় চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোস্তাগীর আলম এই রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবুল হোসেন ফটিক জীবননগর উপজেলার গহেশপুর গ্রামের আবু তাহের মোল্লার ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এম এম শাহজাহান মুকুল জানান, ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর বেলা ১১টার দিকে জীবননগরের গোয়ালপাড়া গ্রামের মাঠে অন্য শিশুদের সাথে শাক তুলতে যায় ইকবাল হোসেনের ১০ বছর বয়সী মেয়ে মরিয়ম খাতুন। এ সময় আসামি ফটিক মরিয়মকে বেশি শাক দেওয়ার লোভ দেখিয়ে পাশের একটি ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণের পর জবাই করে হত্যা করে।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে জীবননগর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে আসামি শনাক্ত করে ২০২৪ সালের ৭ মার্চ ফটিককে গ্রেফতার করে। ওইদিনই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জীবননগর থানার এসআই সাইফুল ইসলাম ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। মামলায় মোট ৩১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









