বরিশাল নগরীর দপদপিয়া সেতুতে রবিবার (৯ আগষ্ট) ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সিফাতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ ও সংকটাপন্ন রিফাতের উন্নত চিকিৎসার দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে ঢাকা-বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক।
বুধবার (১২ আগষ্ট) বিকেলে বাকেরগঞ্জ উপজেলার অংশে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন পালন করেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
হঠাৎ এই অবরোধের ফলে ব্যস্ততম ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের দুই পাশে শত শত দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী ট্রাক ও ছোট যানবাহন আটকে পড়ে চরম দুর্ভোগে পড়েন হাজারো সাধারণ যাত্রী। পটুয়াখালী থেকে আসা যাত্রী জাহিদ হতাশা প্রকাশ করে জানান, জরুরি কাজে বের হয়ে টানা এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে যানজটে আটকে আছেন তিনি।
আন্দোলনকারীদের পক্ষে মেহেদী হাসান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “গত ৯ আগস্ট দপদপিয়া সেতুতে দুর্ঘটনায় এক তরুণ প্রাণ হারালেন আর অন্যজন হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন। অথচ তিন দিন পার হলেও সংশ্লিষ্ট পরিবহন মালিক বা প্রশাসন থেকে পরিবার দুটির পাশে কেউ দাঁড়ায়নি। উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও রিফাতের সুচিকিৎসার নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়া হবে না।”
এদিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে বরিশাল বাস মালিক সমিতির সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “সংশ্লিষ্ট যানবাহন তাদের সমিতির আওতাধীন নয়। বিষয়টি রুপাতলী মিনি বাস মালিক সমিতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে জানান তিনি।”
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে রুপাতলী মিনি বাস মালিক সমিতির সভাপতি ও মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়াউদ্দিন সিকদারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিল হোসেন জানান, ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং তাদের যুক্তিসঙ্গত দাবিগুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দিয়ে দ্রুত যান চলাচল স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টা চলছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









