নাটোরের গুরুদাসপুরে কৃষকদের কাছে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি ও মজুত পরিস্থিতি যাচাইয়ে উপজেলার বিভিন্ন সার ডিলার পয়েন্ট ও গোডাউন পরিদর্শন করেছে উপজেলা কৃষি অফিস।
সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুর থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বাণিজ্যনগর চাঁচকৈড়সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের সরকারি সার ডিলার পয়েন্ট ও গোডাউনে এ পরিদর্শন পরিচালনা করা হয়।
২০২৫ সালের সংশোধিত সার নীতিমালার আলোকে পূর্বের বিসিআইসি ও বিএডিসি ডিলারসহ সরকার নির্ধারিত মোট ২০টি ডিলার পয়েন্ট ও গোডাউন পরিদর্শন করা হয়।
পরিদর্শনকালে ডিলারদের ক্যাশমেমোতে সরকারি নির্ধারিত ন্যায্যমূল্য, কৃষকের নাম ও মোবাইল নম্বর, সারের পরিমাণ, মাস এবং রেজিস্টারে তথ্য সংরক্ষণ করা হয়েছে কি না-তা যাচাই করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন কৃষককে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে সার কেনার তথ্যও যাচাই করা হয়। রেজিস্টারে থাকা তথ্যের সঙ্গে গোডাউনের মজুতও মিলিয়ে দেখা হয়। সরকারি নির্ধারিত ন্যায্যমূল্যে সার বিক্রি এবং যথাযথভাবে হিসাব সংরক্ষণের বিষয়ে ডিলারদের সতর্ক করা হয়।
পরিদর্শনে নেতৃত্ব দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে এম রাফিউল ইসলাম। এ সময় অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মো. মেহেদি জাহান, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. তানভীর রানা ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মনির উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
ডিলারদের পক্ষে মো. ইব্রাহিম হোসেন ও মো. শামসুর রহমান চুন্নু বলেন, ‘গুরুদাসপুরে সারের কোনো ঘাটতি নেই। পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে। সরকারি নির্ধারিত ন্যায্যমূল্যে কৃষকদের কাছে সার বিক্রি করা হচ্ছে। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী সাব-ডিলারদের কাছে কোনো সার বিক্রি করা হচ্ছে না।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে এম রাফিউল ইসলাম বলেন, ‘কৃষকের স্বার্থে আমাদের পরিদর্শন কার্যক্রম চলমান থাকবে। কোনো কৃষকের কাছে সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ডিলারের বিরুদ্ধে নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কৃষকদের সার প্রাপ্তি নিশ্চিত করা এবং বাজারে সারের মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









