ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় ‘ডেঙ্গুর হটস্পট’ হিসেবে পরিচিতি পাওয়া পিরোজপুরে মশক নিধন ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি শুরু করেছে জেলা পরিষদ। ছয়টি ফগার মেশিনের মাধ্যমে মাসব্যাপী জেলার বিভিন্ন এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জেলা পরিষদের সামনে থেকে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক আলমগীর হোসেন। পরে ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করে জেলা পরিষদ চত্বর থেকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
পরে কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিও অফিস চত্বরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। এরপর একই কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য নাজিরপুর উপজেলার উদ্দেশে রওনা দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
উদ্বোধনকালে জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন বলেন, পিরোজপুরকে ডেঙ্গু প্রবণ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। ডেঙ্গু একটি প্রাণঘাতী রোগ। এটি নিয়ন্ত্রণে সরকারের অন্যান্য দপ্তরের পাশাপাশি জেলা পরিষদও শুরু থেকেই কাজ করছে।
তিনি বলেন, মশক নিধনের পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক আলোচনা এবং লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। বর্তমানে ডেঙ্গুর প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে। এ বছর পিরোজপুরে ইতোমধ্যে দুই হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
আলমগীর হোসেন আরও বলেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে জেলা পরিষদ আরও তৎপর হয়েছে। ইতোমধ্যে ছয়টি ফগার মেশিন কেনা হয়েছে। এসব মেশিনের মাধ্যমে মাসব্যাপী জেলার বিভিন্ন এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম চালানো হবে। পাশাপাশি স্কুল-কলেজে সচেতনতামূলক আলোচনা ও লিফলেট বিতরণ করা হবে।
জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ জানায়, পর্যায়ক্রমে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









