পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীর তীব্র স্রোতে ভাঙনকবলিত হাজিরহাট এলাকার বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পশ্চিম রিজিয়ন) মো. মুখলেসুর রহমান। এ সময় তিনি নদীভাঙন রোধে স্থায়ী ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের নিয়ে হাজিরহাট এলাকার বিভিন্ন ভাঙনকবলিত স্থান পরিদর্শন করেন তিনি। পরে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলে তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধা, দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম, বরিশাল বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. রুবেল হোসেন, পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহনেওয়াজ তালুকদার, পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ইমরান হোসেন, উপসহকারী প্রকৌশলী আল আমিন ও আহসান হাবিব।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব শাহ আলম শানু, গণঅধিকার পরিষদের ঢাকা উত্তর মহানগরের সহসভাপতি মিজানুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফখরুজ্জামান বাদল, পটুয়াখালী জেলা গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কালাম পঞ্চায়েত, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল বাশারসহ ভাঙনকবলিত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর তেঁতুলিয়া নদীর তীব্র স্রোতে হাজিরহাট এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্মিত বেড়িবাঁধের দুটি স্থানে ফাটল দেখা দেয়। পরে গভীর রাতে বাঁধের দুটি অংশ ভেঙে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে। এতে প্রায় ৫০টি বসতঘর ও শতাধিক একর জমি পানিতে প্লাবিত হয়।
ঘটনার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানা পুলিশের উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়। বুধবার দুপুরে পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন।
বৃহস্পতিবার সকালে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহিদ হোসেন ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন।
পরিদর্শন শেষে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পশ্চিম রিজিয়ন) মো. মুখলেসুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন,পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলার হাজিরহাট এলাকার পোল্ডার ৫২/২-ডি-এর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। হাজিরহাটের ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









