বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক আলমগীর হোসেন অভিযোগ করে বলেছেন, শেখ হাসিনার নির্দেশে এক হাজারের বেশি বিএনপির নেতাকর্মী ও ৫০০ চৌকস সেনা অফিসারদের হত্যা করা হয়েছে। তাকে একটি মামলায় ফাঁসির রায় দেওয়া হয়েছে। একজন মানুষকে দেড় হাজারবার ফাঁসি দেওয়া যাবে না।’
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় পিরোজপুর জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আলমগীর হোসেন বলেন, ‘তার চ্যালাপেলারা সাধারণ নাগরিকের মতো বাঁচতে চাইলে সম্মানের সঙ্গে থাকবেন। আর যদি বাড়াবাড়ি করেন, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান আমরা করেছি, চব্বিশের আন্দোলন আপনারা করেছেন। যেখানেই পতিত স্বৈরাচারের সন্ত্রাসীদের পাবেন, পুলিশের কাছে তুলে দেবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘কোনো আত্মীয়-স্বজনের বিষয় নেই। আমরা বাংলাদেশকে স্বনির্ভর বাংলাদেশ চাই, মাদকমুক্ত বাংলাদেশ চাই, সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ চাই। যেখানেই সন্ত্রাস, স্বেচ্ছাসেবক দল সেখানেই প্রতিহত করবে।’
দেশে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চক্রান্তের প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়। দুপুর ১২টার দিকে জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়।
পিরোজপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মনির সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব তৌহিদুল ইসলাম তহিদের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান, সদস্যসচিব এস এম সাইদুল ইসলাম কিসমত এবং কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন মোল্লা।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে দেশে সন্ত্রাস ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। এসব অপচেষ্টার বিরুদ্ধে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তারা।
আলোচনা সভা শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়ে পিরোজপুর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
কর্মসূচিতে জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের স্বেচ্ছাসেবক দল, বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









