গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় সরকারি খালে বাঁধ নির্মাণের অভিযোগের পর প্রশাসনের হস্তক্ষেপে খালটি দখলমুক্ত করা হয়েছে। একই ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের পরদিনই বান্দাবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন মোল্লাকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।
বান্দাবাড়ী ইউনিয়নের তুলাতলা এলাকায় সরকারি খালের একটি অংশে বাঁশ দিয়ে বাঁধ নির্মাণ করে মাছ চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফ-উল-আরেফিনের নির্দেশনায় বাঁধ অপসারণের উদ্যোগ নেয় উপজেলা প্রশাসন।
২৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে খালে দেওয়া বাঁশ অপসারণ করে খালটি দখলমুক্ত করা হয়। বিষয়টি বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিশ্চিত করেন বান্দাবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা তহশিলদার তাপস কুমার ভক্ত।
খালে বাঁধ নির্মাণের বিষয়টি সুজন মোল্লা স্বীকার করে জানিয়েছিলেন, খালের সঙ্গে তাদের প্রায় ২০ বিঘা জমি রয়েছে এবং জমিগুলো পতিত থাকায় মাছ চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে সরকারি জায়গা আটকে রাখা ঠিক হয়নি বলেও তিনি স্বীকার করেন।
এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর ২৭ সেপ্টেম্বর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রঞ্জন মল্লিক ও সদস্য সচিব মো. মান্নান শেখ স্বাক্ষরিত আদেশে সুজন মোল্লাকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়।
এছাড়াও গত ২৪ ফেব্রুয়ারিও তাকে একই পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরে ৪ এপ্রিল বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাকে পুনর্বহাল করা হয়।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









