দিনাজপুরের বিরামপুরে আবাদি জমিতে ময়লা ফেলা নিয়ে বিরোধের জেরে ছোট ভাই মুকুল হোসেনকে (৪০) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বড় দুই ভাই ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিরামপুর থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ একজনকে আটক করেছে।
নিহতের স্ত্রী মাহমুদা বেগম ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিরামপুর পৌর এলাকার কৃষ্টচাঁদপুর গ্রামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে মুকুলের আবাদি জমি রয়েছে। ওই বিদ্যালয়ে তার মেজো ভাই এটিএম শামসুজ্জামান সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিফিনের উচ্ছিষ্ট, ছেঁড়া কাগজ ও ময়লা-আবর্জনা মুকুলের ধানের জমিতে ফেলায় ফসলের ক্ষতি হচ্ছিল। বিষয়টি জানাতে সোমবার মুকুল ও তার স্ত্রী বিদ্যালয়ে যান।
এ সময় এটিএম শামসুজ্জামান তাদের ধমক দিলে তর্ক-বিতর্ক হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে শামসুজ্জামান তার বড় ভাই দেলোয়ার হোসেন (৫০), দেলোয়ারের ছেলে দিনার (১৮)সহ পরিবারের অন্যদের ক্ষেপিয়ে তোলেন বলে অভিযোগ করেন নিহত মুকুলে স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার রাতে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে মুকুল ও তার স্ত্রীকে শামসুজ্জামানসহ কয়েকজন মারধর করেন। একপর্যায়ে মুকুল গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। একজনকে আটক করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









