সিলেট নগরের কানিশাইল খেয়াঘাট এলাকায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অভিযানের সময় নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর জজ মিয়া (৫৮) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে কানিশাইল এলাকার ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন মারুফের দোকানে অনলাইন জুয়া খেলার অভিযোগে অভিযান চালায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের দিবাকালীন বিশেষ দল। এ সময় মোহন (২৮) ও রাজা (২৯) নামের দুজনকে আটক করা হয়। তাদের তল্লাশি করে দুটি মুঠোফোন পাওয়া যায়। মুঠোফোন দুটিতে জুয়া খেলার বিভিন্ন অ্যাপ ও হোয়াটসঅ্যাপে জুয়া খেলার বার্তা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মুঠোফোন দুটি জব্দের প্রস্তুতিকালে এক ব্যক্তি পুলিশকে জানান, কাছের খেয়াঘাটে পুলিশ দেখে এক ব্যক্তি নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনাকারী দলের সদস্যরা দ্রুত সেখানে যান। তারা নদীর পাড়ে পঞ্চাশোর্ধ এক ব্যক্তিকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। স্থানীয় লোকজন জানান, কয়েকজন ব্যক্তি তাকে পানি থেকে তুলে তীরে এনেছেন।
স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পুলিশ ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে বিকেল পাঁচটার দিকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানায়, মৃত ব্যক্তির নাম জজ মিয়া। তিনি সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার কান্তাল গ্রামের মুলু মিয়ার ছেলে। বর্তমানে তিনি সিলেট নগরের কানিশাইল এলাকায় থাকতেন।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (সিটিএসবি) মো. আফজাল হোসেন বলেন, জজ মিয়াকে উদ্ধারের সময় উত্তেজিত জনতা পুলিশের হেফাজতে থাকা আটক দুই ব্যক্তিকে মুঠোফোনসহ নিয়ে যায়। তার মরদেহ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









