পটুয়াখালীর দশমিনায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা, মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে মনির চৌকিদার, রিয়াজ হাওলাদার, নুর আলমসহ তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং বিরোধপূর্ণ জমির সীমানা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন পাঁচখালী চর মৌজার রেকর্ডীয় মালিকেরা।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দশমিনা সদর ইউনিয়নের পূজাখোলা এলাকায় সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন রেকর্ডীয় মালিকদের পক্ষে মো. জিয়া তালুকদার। এ সময় অর্ধশতাধিক মালিক উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে জিয়া তালুকদার বলেন, ২১ অক্টোবর দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কার্যালয়ে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে বৈঠক হয়। স্থানীয় চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এতে অংশ নেন। বৈঠকে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ২৫ অক্টোবর পুনরায় বসার সিদ্ধান্ত হয়। এর আগে উভয় পক্ষকে বিরোধপূর্ণ জমিতে সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বলা হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।
জিয়া তালুকদারের অভিযোগ, তারা ওই সিদ্ধান্ত মেনে জমিতে কার্যক্রম বন্ধ রাখলেও ২২ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে খাবার খাওয়ার সময় মনির চৌকিদার ও এসকান্দার বেল্লালের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল তাদের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এতে দুজন আহত হন। আহত দুজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি জানান, ঘটনার সময় কয়েকজন সাংবাদিক ও থানার দুই পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে যান। এ ছাড়া পাঁচখালী চরসহ ৯৬, ৯৭ ও ৯৮ নম্বর মৌজার জমির সীমানা নির্ধারণে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদনের পর ডিজিটাল জরিপের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জিয়া তালুকদারের দাবি, নিরপেক্ষ ডিজিটাল জরিপ হলে জমির প্রকৃত মালিকানা ও সীমানা নির্ধারণ সহজ হবে। তবে একটি পক্ষ জরিপের কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। সর্বশেষ হামলার ঘটনাকেও তিনি এ প্রচেষ্টার অংশ বলে দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত রেকর্ডীয় মালিকেরা নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধান, জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং দ্রুত ডিজিটাল জরিপের মাধ্যমে জমির সীমানা নির্ধারণের দাবি জানান।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









