শেরপুর জেলা সদরের বিভিন্ন স্থানে একাধিক পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত দেড় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালের দিকে পৌরসভার কসবা, সদরের চরশেরপুর, চরমোচারিয়া, লছমনপুর, ভাতশালা ও পাকুড়িয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে একাধিক পাগলা কুকুরের কামড়ে শিশু, বৃদ্ধসহ অনেকেই আহত হয়েছেন।
আহতরা শেরপুর জেলা হাসপাতাল ও স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন।
হাসপাতালের এক কর্মকর্তা জানান, শীতের শুরু থেকে কুকুরের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন জায়গায় কুকুরের কামড়ের ঘটনা ঘটছে। হাসপাতালে কুকুরের কামড়ে আহত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। তবে আজ সকাল থেকে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৬০ জন রোগী টিকা নিয়েছেন। এছাড়াও বিভিন্ন ক্লিনিকেও চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেকে।
কুকুরের কামড়ে আহত শেরপুর সদরের কৃঞ্চপুরের মামুন মিয়া (৪০) বলেন, ‘‘আমি মোটর সাইকেল ধোয়ার কাজ করছিলাম। হঠাৎ কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাকে একটা কুকুর এসে কোমরে কামড় দেয়। পরে ফেরাতে গেলে হাতেও কামর দেয়।
ধাতিয়াপাড়ার তিন বছরের আহত শিশু আফসানা-এর পিতা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘‘পাগলা কুকুরের হাত থেকে অল্পের জন্যে আমার মেয়ে বেঁচে গেছে। কুকুর অনেক বেড়ে গেছে।’’
ঝায়েরচরের রাজ মিয়া বলেন, ‘‘আগে এতো কুকুর ছিল না। এখন এসব কুকুরকে ইনজেকশন না দিলে আমগরে খুব বিপদ। এলাকায় কুকুর বেড়ে গেছে।’’
শেরপুর জেলা হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাজ্জাদ হাসান জানান, শীতের শুরু হলে কুকুরের কামড়ের রোগীর সংখ্যা বাড়ে। তবে আজকের রোগীর সংখ্যা বেশি। সকাল থেকে এ পর্যন্ত অনেক রোগী হাসপাতালে এসেছেন। তাদেরকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









