সুন্দরবন জুড়ে রেড এলার্ট জারি করা হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে সকল বনরক্ষীর ঈদের ছুটি বাতিল করে সতর্ক অবস্থায় বাড়তি নজরদারি করার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে হরিণ শিকারি চক্রের দৌরাত্ম বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিভাগীয় সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, প্রতিবছর ঈদকে সামনে রেখে সুন্দরবনে হরিণ শিকারি চক্রগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে। ওই চক্রের শিকারীরা হরিণ শিকার করে তার মাংস রাজধানী ঢাকা সহ বিভিন্ন শহরে পাচার করে। এছাড়া এবার ঈদের আগে কিছু হরিণ শিকারের চালানে বিপুল পরিমাণ মাংস বন বিভাগ ও কোস্ট গার্ড আটক করেছে।
এসব ঘটনায় বন বিভাগ ইতিমধ্যেই সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। ঈদের সময় হরিণের মাংসের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় শিকারি চক্র তাদের কার্যক্রম বাড়াতে পারে—এই আশঙ্কায় সকল বনরক্ষীর ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে এবং সুন্দরবন জুড়ে রেড এলার্ট ঘোষণা করা হয়েছে।
এছাড়াও, সুন্দরবনে দস্যুদের সাম্প্রতিক তৎপরতা, নদী ও খালে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার, এবং শুষ্ক মৌসুমে অনাকাঙ্ক্ষিত অগ্নিকাণ্ড এড়াতে বনরক্ষীদের সতর্কতা ও বাড়তি নজরদারি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, সকল ধরনের বন অপরাধ দমনে বনবিভাগ তৎপর রয়েছে। তারপরও ঈদের সুযোগ নিয়ে যাতে অপরাধীরা মাথাচাড়া দিতে না পারে, সেজন্য বন বিভাগের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর ঈদের ছুটি বাতিল করে বাড়তি সতর্কতাবস্থা জারি করা হয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









