চারদিকে যখন নতুন বছরকে বরণের আনন্দ আয়োজন চলার কথা, তখন সাতক্ষীরার আকাশ যেন রুদ্রমূর্তি ধারণ করেছে। নীল আকাশ জুড়ে মেঘের লেশমাত্র নেই; বরং খাঁ খাঁ রোদ আর উত্তপ্ত বাতাস জানান দিচ্ছে—প্রকৃতি এখন এক অগ্নিপরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরের সূর্য যখন ঠিক মাথার ওপর, তখন সাতক্ষীরার পারদ ছুঁয়েছে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অফিস বলছে, সকালের তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রাও বাড়তে থাকে। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা ৩৫-৩৬ ডিগ্রির ঘরেই ওঠানামা করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কেবল তপ্ত রোদ নয়, সাতক্ষীরার মানুষের জন্য বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে এ জনপদের বাতাস। বাতাসের মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলো বলছে, আজ এই শহরের বাতাসের মানের সূচক (একিউআই) ছিল ১৪০। সাহিত্যের ভাষায় যাকে বলা যায় ‘মলিন বাতাস’। বিজ্ঞানের ভাষায় এটি ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’।
চিকিৎসকেরা বলছেন, এই সময়ে ঘরে থাকাই নিরাপদ; একান্ত প্রয়োজনে বাইরে বের হলেও মাস্ক পরা উচিত।
তীব্র এই গরমে জীবন বাঁচানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। হিটস্ট্রোক আর পানিশূন্যতার ঝুঁকি এড়াতে বিশেষজ্ঞরা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। বারবার বিশুদ্ধ পানি ও তরল খাবার খাওয়া। দুপুরের কড়া রোদ থেকে নিজেকে আড়াল রাখা এবং প্রয়োজনে ছাতার ব্যবহার করা। পাতলা সুতির ঢিলেঢালা পোশাকে শরীরকে ঢেকে রাখা।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









