সিলেটের গোয়াইনঘাটে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধান ও বসতবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১০টা ৫০ মিনিটে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে যায় কালবৈশাখী ঝড়। এ সময় বজ্রপাত ও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুইজন নিহত হন বলে খবর পাওয়া গেছে।
এ ছাড়াও ঝড়ে শতাধিক ঘরবাড়ি, মোবাইল নেটওয়ার্ক ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বাসিন্দারা জানিয়েছেন। গতরাত বিদ্যুৎহীন ছিল পুরো উপজেলা। মোবাইল নেটওয়ার্কও বিচ্ছিন্ন ছিল।
এদিকে, গত মঙ্গলবারের ঝড়ে বিদ্যুতের লাইন ছিঁড়ে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে নিহত হন লাবু গ্রামের ময়না মিয়ার ছেলে জসিম উদ্দিন। একই দিন সন্ধ্যায় কামাইদ বাজার থেকে বাড়ি যাবার পথে বজ্রপাতে নিহত হন কামাইদ গ্রামের হরেশ দাসের ছেলে তপন দাস (৩০)।
বিদ্যুতায়িত হয়ে এবং বজ্রপাতে দুইজন মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন গোয়াইনঘাট থানার ওসি মনিরুজ্জামান।
সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম রাব্বানী সুমন জানান, ঝড়ে তার ইউনিয়নে অর্ধশত ঘর সম্পূর্ণ এবং শতাধিক ঘরবাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিলাবৃষ্টিতে অসংখ্য ঘরের টিনের চালা ফুটো হয়ে গেছে। উপজেলা সদরে ডরমেটরি ভবনের সামনে বিশাল গাছ পড়ে সীমানা প্রাচীর ভেঙে গিয়েছে। ফলে হাসপাতাল রোডে যানচলাচল বন্ধ ছিল।
পল্লী বিদ্যুৎ-২ গোয়াইনঘাট সাবজোনাল অফিসের এজিএম শহিদুল ইসলাম জানান, গত দুদিনের কালবৈশাখী ঝড়ে অনেক জায়গায় গাছ পড়ে বিদ্যুতের লাইন ছিঁড়ে গেছে। এতে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিলম্ব হচ্ছে। ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রতন কুমার অধিকারী বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি সহায়তা দিতে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









