পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে পঞ্চম দিনেও পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি, অবস্থান কর্মসূচি ও ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ পালন করেছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনকারীরা উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলামের পদত্যাগ দাবি পুনর্ব্যক্ত করে তাকে কোনোভাবেই ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
রবিবার (১৭ মে) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে সর্বস্তরের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সমবেত হয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। এ সময় উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার ভবনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে তালা ঝুলতে দেখা যায়। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রম কার্যত সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে পড়েছে।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম,প্রফেসর ড. মোঃ আতিকুর রহমান, প্রফেসর ড. বদিউজ্জামান,কর্মকর্তা ড. হাসিব মো. তুষার
আবদুল্লাহ আলো নোমান,শহিদুল ইসলাম মৃধা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা জনিসহ আরও অনেকে।
বক্তারা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের শিক্ষক ও কর্মকর্তার রক্তের দাগ যার হাতে রয়েছে, সেই উপাচার্যকে কোনোভাবেই এই পবিত্র ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেওয়া হবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংকট নিরসনে প্রশাসনের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না থাকার তীব্র সমালোচনা করে তারা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এদিকে টানা ৫ দিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলো বন্ধ থাকায় সাধারণ শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সেবাগ্রহীতাদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি ও আন্দোলনের বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









