পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে জুডিশিয়াল কমপ্লেক্সে হামলার মামলায় পরবর্তী শুনানিতে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন ইসলামাবাদের একটি সন্ত্রাসবিরোধী আদালত (এটিসি)।
সোমবার মামলাটির শুনানি করেন এটিসির বিচারক তাহির আব্বাস সিপরা। ২০২৩ সালে একাধিক মামলায় জামিন নিতে ইসলামাবাদের জুডিশিয়াল কমপ্লেক্সে ইমরান খানের যাওয়ার সময় সেখানে সংঘটিত ঘটনার জেরে এই মামলা করা হয়।
ওই সময় বিপুলসংখ্যক পিটিআই সমর্থক জুডিশিয়াল কমপ্লেক্স এলাকায় জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা নিরাপত্তাবেষ্টনী সরিয়ে দেন, কমপ্লেক্সের প্রবেশপথের ফটক ভাঙচুর করেন এবং আদালতের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার পর ইসলামাবাদ পুলিশ রামনা থানায় কয়েকজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের (এটিএ) ৭ ধারা এবং পাকিস্তান দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারায় মামলা করে।
২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে রয়েছেন ইমরান খান। তিনি ও তার দল তার বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছেন।
২০২২ সালের এপ্রিলে অনাস্থা ভোটে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ইমরান খানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় উপহার বিক্রির অভিযোগ এবং বেআইনি বিয়ের মামলাও রয়েছে।
সোমবারের শুনানিতে বিচারক তাহির আব্বাস সিপরা নির্দেশ দেন, আদিয়ালা কারাগারে বন্দি ইমরান খানকে পরবর্তী শুনানিতে আদালতে হাজির করতে হবে। তিনি চাইলে সরাসরি আদালতে উপস্থিত হতে পারবেন অথবা ভিডিও লিংকের মাধ্যমে তার উপস্থিতি নিশ্চিত করা যাবে।
এদিকে, পিটিআই নেতা ফাররুখ হাবিব, হাম্মাদ আজহার, মুরাদ সাঈদ ও শিবলি ফারাজকে পলাতক আসামি হিসেবে ঘোষণা করেছে আদালত। একই সঙ্গে তাদের সম্পত্তির বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।
সাবেক পাঞ্জাব অ্যাসেম্বলির স্পিকার ওয়াসিক কাইয়ুম আব্বাসি এবং পিটিআই নেতা হাসান নিয়াজির বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করেছেন আদালত।
পরে মামলাটির পরবর্তী শুনানি আগামী ৫ নভেম্বর পর্যন্ত মুলতবি করা হয়।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









