কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নৌমাইনে আঘাত লেগে আগুন ধরে দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে।
আইআরজিসির দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, দুটি ট্যাংকারের একটি হরমুজ প্রণালির পূর্ব অংশে এবং অন্যটি প্রণালির ভেতরে নৌমাইনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর উভয় জাহাজে আগুন ধরে যায় এবং সেগুলো চলাচল বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ট্যাংকার দুটি তাদের নেভিগেশন ও পরিচয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থা বন্ধ রেখেছিল। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সহায়তায় অনুমোদনহীন পথ ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালি থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করছিল বলে অভিযোগ করেছে আইআরজিসি।
আইআরজিসি নৌবাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি এখনো বন্ধ রয়েছে। ইরানের নির্ধারিত সাতটি শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এ পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে না।
বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) বিরুদ্ধে জাহাজগুলোকে অনুমোদনহীন ও মাইন পাতা ঝুঁকিপূর্ণ পথে চলাচলে উৎসাহিত করার অভিযোগও আনা হয়েছে। এ ধরনের প্রচেষ্টা বারবার ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে বলে সতর্ক করেছে ইরানের এই বাহিনী।
তবে ক্ষতিগ্রস্ত ট্যাংকার দুটির নাম, মালিকানা, জাতীয়তা কিংবা হতাহতের বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি আইআরজিসি। এ ঘটনায় ইরানের সামরিক বাহিনীর দেওয়া দাবির স্বাধীন কোনো নিশ্চিতকরণও পাওয়া যায়নি।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহন করা হয়। ফলে এ অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা ও জাহাজ চলাচলে বিঘ্নের প্রভাব বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









