তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন থালাপতি বিজয়। আজ রোববার (১০ মে) চেন্নাইয়ের জওহর লাল নেহরু স্টেডিয়ামে ৯ মন্ত্রীসহ তিনি শপথ নেন। এরমাধ্যমে তার নেতৃত্বে রাজ্যটিতে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, অভিনেত্রী তৃষা কৃষাণসহ থালাপতির সমর্থকরা ছিলেন।
অনুষ্ঠানস্থলে থালাপতিকে স্বাগত জানান রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আর্লেকর। সেখানে বন্দনাগীতি ‘বন্দে মাতরম’র পর জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এরপর তামিল ভাষায় মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নেন থালাপতি বিজয়।
তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে ১০৮টি আসনে জিতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন না পাওয়ায় সরকার গঠন করতে পারছিল না টিভিকে। বিজয় দুটি আসনে জয় পাওয়ায় টিভিকের বিধায়ক সংখ্যা ১০৭।
৫টি আসনে জয় পাওয়া কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করার পর তাদের মোট আসন দাঁড়ায় ১১২। কিন্তু সরকার গঠন করার জন্য বিধানসভার মোট ২৩৪ আসনের মধ্যে প্রয়োজন ছিল অন্তত ১১৮টি আসন।
শুক্রবার দুই বাম দল সিপিএম ও সিপিআই টিভিকের প্রতি সমর্থনের কথা ঘোষণা করে। এই দুই দলের চার আসন মিলিয়ে সংখ্যাটি ১১৬ থেকে ঠেকে। কিন্তু আরও দুই আসনের ঘাটতি রয়েই যায়।
শনিবার দ্রাবিড় তামিল জাতীয়তাবাদী দল ভিডুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চির (ভিসিকে) ও ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ (আইইউএমএল) টিভিকের প্রতি শর্তহীন সমর্থন জানায়। বিধানসভায় এই দুই দলের প্রত্যেকের দুইটি করে আসন থাকায় তাদের সমর্থনে টিভিকের নেতৃত্বাধীন জোটের মোট আসন ১২০টিতে পৌঁছে যায়। এতে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ১১৮ এর ‘ম্যাজিক ফিগার’ পার হয়ে যায় তারা।
এর মধ্য দিয়ে চার দিন ধরে চলা রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান হয়। টিভিকে প্রধান রাজ্যপাল আরলেকারের সঙ্গে দেখা করে ১২০ বিধায়কের সমর্থনের চিঠি উপস্থাপন করেন। আর এরপর সব উৎকণ্ঠার অবসান ঘটিয়ে টিভিকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানান রাজ্যপাল।
এর আগে বুধবার, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার- পরপর তিন দিন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছিলেন বিজয়, কিন্তু আরলেকার বিধানসভায় টিভিকের প্রয়োজনীয় প্রতিনিধিত্ব নেই জানিয়ে তার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









